নেপালের উদ্ধারকাজে ‘লাইফলাইন’ হোয়াটঅ্যাপ! ৫০০ ইঞ্জিনিয়রের গ্রুপে কীভাবে মিলছে প্রাণের খোঁজ?

নেপালের উদ্ধারকাজে ‘লাইফলাইন’ হোয়াটঅ্যাপ! ৫০০ ইঞ্জিনিয়রের গ্রুপে কীভাবে মিলছে প্রাণের খোঁজ?

ভয়াবহ হরপা বানে বিধ্বস্ত নেপালের ত্রিশূলী উপত্যকা। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা বহু মানুষের প্রাণের খোঁজে সেনার পাশাপাশি এখন বড় ভরসা ৫০০-র বেশি ইঞ্জিনিয়ার ও বিশেষজ্ঞদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ। বিপর্যয়ের পর তৈরি হওয়া এই গ্রুপটি উদ্ধারকারীদের জন্য ‘রিয়েল-টাইম টেকনিক্যাল সাপোর্ট নেটওয়ার্ক’ হিসেবে কাজ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জটিল ড্রয়িং, সুড়ঙ্গের নকশা এবং প্রবেশপথের সঠিক অবস্থান নিমেষের মধ্যে শেয়ার করছেন অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়াররা। এমনকি চিলিমে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের লেআউট মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে গ্রুপের মাধ্যমে পেয়ে যান উদ্ধারকারীরা, যা ২২ লক্ষ টন কাদা ও পাথর সরিয়ে সঠিক স্থানে খনন চালাতে সাহায্য করছে।

টানা ৯ দিন (২১৬ ঘণ্টা) আলো-বাতাসহীন অন্ধকার সুড়ঙ্গে আটকে থাকার পর সঞ্জয় সাহ ও কবীর মহার্জন নামে দুই শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা গেছে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ জন ভারতীয়কেও উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। কর্তৃপক্ষের ধারণা, বিভিন্ন সুড়ঙ্গে এখনও প্রায় ৯০০ মানুষ আটকে থাকতে পারেন। রাসুওয়াগাধির একটি সুড়ঙ্গের গভীর চেম্বারে ৪৬ জনের আটকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রায় ১০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা হারানো নেপালে এই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ প্রযুক্তিগত জ্ঞান জোগিয়ে প্রাণের নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *