বিজ্ঞানের হার! উজ্জয়িনীতে একচুলও নড়ানো গেল না অলৌকিক হনুমান মূর্তি

২০২৮ সালের সিংহস্থ কুম্ভ মেলাকে সামনে রেখে মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীজুড়ে জোরকদমে চলছে রাস্তা চওড়া করার কাজ। এই উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অংশ হিসেবে কন্থল চৌরাস্তা এবং ছত্রী চকের মধ্যবর্তী সতী গেটে অবস্থিত হাজার বছরের পুরোনো ঐতিহ্যবাহী ‘খড়ে হনুমানজি’ মন্দিরটি অন্যত্র স্থানান্তরের উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের পরেই তৈরি হয়েছে চরম রাজনৈতিক, সামাজিক ও অলৌকিক বিতর্ক।
আধুনিক প্রযুক্তির পরাজয়: মন্দিরটি সরাতে গিয়ে সবচেয়ে বড় চমকের মুখে পড়েছে প্রশাসন। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (ASI), আইআইটি-র (IIT) বিশেষজ্ঞ দল এবং দেশের প্রথম সারির ইঞ্জিনিয়ারিং টিম অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেও বিগ্রহটি একচুলও নড়াতে পারেনি। প্রযুক্তির সমস্ত আধুনিক কৌশল ব্যর্থ হওয়ায় সাধারণ মানুষ ও ভক্তরা একে নিছক যান্ত্রিক গোলযোগ না ভেবে হনুমানজির অলৌকিক প্রভাব বলেই মনে করছেন।
জনগণের তীব্র প্রতিবাদ: প্রশাসনের স্থানান্তরের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের স্পষ্ট কথা—হাজার বছরের প্রাচীন ও পবিত্র এই মন্দিরটিকে কোনোভাবেই এই জায়গা থেকে সরানো যাবে না। উল্টে বর্তমান স্থানটিতেই মন্দিরটিকে আরও বড় ও জাঁকজমকপূর্ণভাবে গড়ে তোলার দাবি তুলেছেন তাঁরা।
বিজ্ঞান আর বিশ্বাসের এই অভূতপূর্ব টানাপোড়েনে কুম্ভ মেলার প্রস্তুতির মুখেই এখন উত্তাল পুরো উজ্জয়িনী।