মোদক-লাড্ডু ছাড়াও গণপতির পছন্দের ভোগ কী কী? জানুন তালিকা

মোদক-লাড্ডু ছাড়াও গণপতির পছন্দের ভোগ কী কী? জানুন তালিকা

মূলত পশ্চিম ভারতের প্রধান উৎসব হলেও, গণেশ চতুর্থী এখন বাঙালির ঘরে ঘরে বেশ ধূমধাম করেই পালিত হয়। ভাদ্র মাসের শুক্লা চতুর্থী তিথিতে সিদ্ধিদাতা গণেশের পুজো করা হয় এবং ১০ দিন পর অনন্ত চতুর্দশীর দিন বিসর্জনের মাধ্যমে এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

গণেশ ঠাকুর যে বেশ ভোজনরসিক, তা তাঁর চেহারা দেখলেই বোঝা যায়! তাই বাপ্পাকে তুষ্ট করতে তাঁর পছন্দের সঠিক ভোগ নিবেদন করা অত্যন্ত জরুরি। বিশ্বাস করা হয়, গণেশ জয়ন্তীতে সিদ্ধিদাতাকে মনপসন্দ ভোগ দিলে তিনি প্রসন্ন হন এবং ভক্তদের মনের সব ইচ্ছে পূরণ করেন।

গণেশ পুজোয় মোদক ও মোতিচুরের লাড্ডু ছাড়াও আর কী কী ভোগ হিসেবে নিবেদন করবেন? দেখে নিন তালিকা:

  • মোতিচুরের লাড্ডু: গণপতির অত্যন্ত প্রিয় মিষ্টি হলো মোতিচুরের লাড্ডু। শাস্ত্র মতে, পুজোয় এই লাড্ডু নিবেদন করলে সিদ্ধিদাতাকে খুব সহজেই প্রসন্ন করা যায় এবং সংসারে সুখ-সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়।
  • ক্ষীর: গণেশ চতুর্থীতে গণপতিকে ক্ষীর নিবেদন করা অত্যন্ত শুভ। এতে পরিবারে আর্থিক অনটন দূর হয় এবং ধনলাভের সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়।
  • মোদক: মোদক ছাড়া গণেশ পুজো আসাম্পূর্ণ! পুরাণ মতে, পরশুরামের কুঠারের আঘাতে গণেশের একটি দাঁত ভেঙে যাওয়ার পর কঠিন খাবার খাওয়া আসাম্ভব হয়ে পড়ে। তখন মা পার্বতী তাঁর জন্য নরম পাকের মোদক বানিয়ে দেন। সেই থেকেই মোদক তাঁর সবচেয়ে প্রিয় খাবার।
  • কলা: অন্যান্য দেব-দেবীর মতো গণেশ ঠাকুরও কলা খেতে দারুণ ভালোবাসেন। ভোগে কলা রাখলে সংসারে শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় থাকে।
  • নারকেল: হিন্দুধর্মে নারকেলকে ‘শ্রীফল’ বলা হয়, যেখানে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বরের বাস বলে ধরা হয়। গণেশ পুজোয় নারকেল নিবেদন করলে মা লক্ষ্মীর বিশেষ কৃপাও লাভ করা যায়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *