সিএবি নির্বাচনে কারচুপির ছায়া! কোষাধ্যক্ষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেরা পুলিশের

সিএবি নির্বাচনে কারচুপির ছায়া! কোষাধ্যক্ষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেরা পুলিশের

আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গলের (সিএবি) বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন। তবে ভোটাভুটির আগেই চরম অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠল ময়দান। সোমবার সকালে ও দুপুরে পরপর দু’বার সিএবি কার্যালয়ে পরিদর্শনে যায় ময়দান থানার পুলিশ। সচিব, যুগ্মসচিব এবং অ্যাপেক্স কাউন্সিলের এক সদস্য পদকে কেন্দ্র করে ভোটের জল এখন গড়াচ্ছে থানা-পুলিশ পর্যন্ত।

তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখে কোষাধ্যক্ষ অভিযানে নেমে সিএবি-র কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাসকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। এজিএম (AGM)-এর মনোনয়নপত্র ডাক বা কুরিয়ার মারফত কীভাবে পাঠানো হয় এবং তা কীভাবে জমা নেওয়া হয়—পুরো প্রক্রিয়ার নথিপত্র খতিয়ে দেখে পুলিশ। সঞ্জয় দাস জানান, তদন্তে পুরোপুরি সহযোগিতা করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সব তথ্য পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের তির কোথায়? ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউটের সদস্য গৌতম দে ময়দান থানায় সরাসরি অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, নির্বাচনকে নিজেদের পক্ষে ঘোরাতে ও সাধারণ সদস্যদের ভোটাধিকার প্রভাবিত করতে বড়সড় চক্রান্ত চলছে। ক্লাবের নিবন্ধিত ঠিকানায় ফর্ম না পাঠিয়ে সিএবি পরিচালন সমিতির ঘনিষ্ঠ কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির হাতে গোপন নথিপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে।

স্বচ্ছতা ফেরাতে কড়া পুলিশ প্রশাসন অভিযোগ মেলা মাত্রই তৎপরতা বাড়িয়েছে কলকাতা পুলিশ। শহরের বিভিন্ন থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—প্রতিটি ক্লাব সময়মতো এবং সঠিক নিয়মে মনোনয়নপত্র পেয়েছে কি না তা সরেজমিনে যাচাই করতে। প্রমাণের খাতিরে খামের ছবি ও পোস্টাল স্ট্যাম্পের কপিও তলব করা হয়েছে। নির্বাচনের দিন যত এগোচ্ছে, সিএবি-র ভেতরের এই প্রশাসনিক টানাপোড়েন আরও তীব্র আকার ধারণ করছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *