‘আর সহ্য হচ্ছে না!’ নেপালে ২১ দিন নিখোঁজ, বুকচাপা যন্ত্রণা নিয়ে শেষ আশার আলো নবান্ন

‘আর সহ্য হচ্ছে না!’ নেপালে ২১ দিন নিখোঁজ, বুকচাপা যন্ত্রণা নিয়ে শেষ আশার আলো নবান্ন

নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানের ২১ দিন পার হয়ে গেলেও এখনও খোঁজ মেলেনি রাজ্য থেকে সেখানে যাওয়া বহু মানুষের। প্রিয়জন জীবিত না মৃত—এই চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন তাঁদের স্বজনেরা। সামনে দুর্গাপূজা হলেও শোক ও অসহায়তায় থমকে রয়েছে বাঁকুড়া, শিলিগুড়ি ও উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক পরিবার। নিখোঁজদের ডিএনএ স্যাম্পল নেওয়া হলেও সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য এখনও মেলেনি।

এই পরিস্থিতিতে একটু দিশার খোঁজে আজ, বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করছেন নিখোঁজদের স্বজনেরা।

মূল বিষয়সমূহ:

  • চিন সীমান্তের সম্ভাবনা: নিখোঁজ শর্মিষ্ঠা রায়ের স্বামী শুভ্রাংশু রায় চিনের একটি সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে জানান, বিপর্যয়ের আগেই শর্মিষ্ঠারা চিন সীমান্তের কোনো নিরাপদ এলাকায় পৌঁছে গিয়ে থাকতে পারেন। এই বিষয়টি দুই দেশের সরকারি স্তরে সমন্বয়ের মাধ্যমে খতিয়ে দেখার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আর্জি জানাবেন তিনি।
  • পরিবারগুলির ব্যাকুলতা: বাঁকুড়ার নিখোঁজ অশোক পালের পরিবার যেমন চরম অনিশ্চয়তায় ভুগছে, তেমনই বারাসাতের সুস্মিতা ভট্টাচার্য ও শিলিগুড়ির সমর মণ্ডলের পরিবারও একই যন্ত্রণার মুখোমুখি। স্বজনদের মন বলছে, হয়তো চিনের দিকেই কোথাও আটকে রয়েছেন তাঁদের প্রিয়জনেরা।
  • প্রশাসনের পদক্ষেপ: নবান্নের বৈঠকের জন্য বাঁকুড়ার ইন্দপুর থেকে অশোকের বাবা ও স্ত্রীকে পুলিশ প্রহরায় কলকাতায় আনা হচ্ছে। শিলিগুড়ি ও বারাসাত থেকেও স্বজনেরা এসে পৌঁছেছেন কলকাতায়।

স্বজন হারানোর গভীর যন্ত্রণা আর চরম অসহায়তা নিয়ে এখন নবান্নের প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে এই পরিবারগুলি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *