বকেয়া DA নিয়ে বড় আপডেট! ইন্দু মালহোত্রা কমিটির রিপোর্টের দিকেই কি তাকিয়ে রাজ্য?

পঞ্চম বেতন কমিশনের বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) নিয়ে রাজ্য রাজনীতি ও প্রশাসনিক মহলে জল্পনা থামছেই না। নিয়মিত সরকারি কর্মচারী ও অবসরপ্রাপ্তদের একাংশ বকেয়া ভাতা পেতে শুরু করলেও, এখনও অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন ‘গ্রান্ট-ইন-এইড’ (Grant-in-Aid) কর্মচারীরা। এবার এই বঞ্চনা ও বকেয়া আদায় নিয়ে নতুন ইঙ্গিত দিলেন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভঃ এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায়।
কী ঘটছে বকেয়া ডিএ নিয়ে? সুপ্রিম কোর্ট গঠিত মনিটরিং কমিটির নির্দেশ মেনে রাজ্য সরকারের একটি বড় অংশের কর্মী ও পেনশনভোগীদের অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যেই বকেয়া ডিএ ও ডিআর-এর টাকা ঢুকতে শুরু করেছে। তবে এই সুবিধার বাইরে থেকে গিয়েছেন গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মচারীরা। সমান তালে কাজ করা সত্ত্বেও প্রাপ্তির বেলায় কেন এই বঞ্চনা—তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন মলয়বাবু।
আদালতের দরজায় একের পর এক সংগঠন অল ইন্ডিয়া কনসিউমার প্রাইস ইনডেক্স (AICPI) অনুযায়ী প্রাপ্য ডিএ-র দাবি জানিয়ে অধিকার আদায়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে একাধিক সংগঠন:
- শিক্ষক সংগঠন: প্রথমেই দুটি শিক্ষক সমিতি মামলা দায়ের করে।
- পঞ্চায়েত ও পুরকর্মী: শিক্ষক সংগঠনের পর আইনি লড়াইয়ে যুক্ত হন পঞ্চায়েত ও পৌরসভার কর্মচারীরা।
- হেডমাস্টার অ্যাসোসিয়েশন: সম্প্রতি এই আইনি প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়েছে হেডমাস্টারদের সংগঠনও।
ইন্দু মালহোত্রা কমিটির রিপোর্টেই লুকিয়ে উত্তর? বর্তমানে উচ্চ আদালত এই বিষযে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে। পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্ট গঠিত সাবেক বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রা কমিটি এই পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী নিজেই আগে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে ইন্দু মালহোত্রা কমিটি যদি ইতিবাচক সুপারিশ করে, তবে গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীদেরও বকেয়া ডিএ দেওয়া হবে। ফলে কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশ ও আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন অধীর আগ্রহে তাকিয়ে রাজ্য জুড়ে হাজার হাজার কর্মচারী।