জামুই কাণ্ডে পুলিশের ‘হাফ এনকাউন্টার’, মূল অভিযুক্তের পায়ে গুলি, ভাঙল সহযোগীর পা!

বিহারের জামুইয়ে এক নাবালিকা ও নাবালককে হেনস্থার চাঞ্চল্যকর ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই দেশজুড়ে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পরেই কড়া পদক্ষেপ নিল পুলিশ প্রশাসন। পলাতক মূল অভিযুক্ত নন্দন যাদবকে ধরেতে ‘হাফ এনকাউন্টার’ চালায় পুলিশ। গুলির লড়াইয়ে নন্দন যাদবের পায়ে গুলি লেগেছে, অন্যদিকে ঘটনায় জড়িত অপর অভিযুক্ত হরেরামের পা ভেঙেছে বলে জানা গিয়েছে। দু’জনকেই চিকিৎসার জন্য জামুই সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার পেছনের তথ্য ও পুলিশের পদক্ষেপ:
- এডিজি-র বক্তব্য: বিহার পুলিশের আইন ও শৃঙ্খলা বিভাগের এডিজি কে এস অনুপম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এই মামলায় এ পর্যন্ত তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
- কঠিন আইনি ধারা: সংশ্লিষ্ট থানায় নতুন ন্যায় সংহিতা (BNSS)-এর ১২৮, ৭৪ ও ৭৫ ধারা এবং পকসো (POCSO) আইনের ৮ ও ১২ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
- সিট গঠন: জামুই জেলার এসডিপিও-র নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করে দ্রুত তদন্ত চালানো হচ্ছে।
ঠিক কী ঘটেছিল?
পুলিশ সূত্রে খবর, জামুই-লাখিসরাই মেন রোড থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে একটি নির্জন পাহাড়ি এলাকায় সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। সেখানে এক নাবালক ও নাবালিকাকে ঘিরে ধরে কয়েকজন যুবক অশালীন আচরণ করতে শুরু করে। নাবালিকাকে যৌন হেনস্থা করার পাশাপাশি বাধা দেওয়ায় ওই ছাত্রকে বেধড়ক মারধর করা হয়। গোটা অপরাধের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পরেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ-প্রশাসন।
ভিডিও ফুটেজ দেখে দ্রুত অভিযুক্তদের শনাক্ত করে গ্রেফতার শুরু হয়। নির্জন পাহাড়ি এলাকায় এ ধরনের ঘটনা রুখতে পুলিশি টহল আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত এনকাউন্টারে আহতদের শারীরিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং পুরো বিষয়টি নিয়ে আরও তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।