“শ্লীলতাহানি দেখলেই গুলি মারো!” ধূপগুড়িতে নারী সুরক্ষায় বিধায়কের বিস্ফোরণ
ধূপগুড়ি: পুজোর কেনাকাটার মরশুমেই আতঙ্কের ছায়া ধূপগুড়িতে। সন্ধ্যার পর শহরের নির্জন অলিগলিতে একা পেলেই মহিলাদের শ্লীলতাহানি করছে এক দল বাইকআরোহী। একের পর এক এমন ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। এই পরিস্থিতিতে দুষ্কৃতীদের সোজা ‘গুলি করার’ চরম নিদান দিলেন ধূপগুড়ির বিজেপি বিধায়ক নরেশচন্দ্র রায়।
অভিযোগ, হেলমেটে মুখ ঢেকে দ্রুতগতির বাইকে চেপে আসছে এক দল তরুণ। নির্জন রাস্তায় একা মহিলা বা তরুণী দেখলেই আচমকা অসৎ উদ্দেশ্যে স্পর্শ করে চম্পট দিচ্ছে তারা। দ্রুত গতি ও হেলমেট থাকার কারণে বাইকের নম্বর কিংবা দুষ্কৃতীদের মুখ শনাক্ত করা যাচ্ছে না। সম্প্রতি এমনই একটি ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলেও তার সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এই ঘটনায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে বিজেপি বিধায়ক নরেশচন্দ্র রায় বলেন, “এদের দেখলেই গুলি মেরে দেওয়া উচিত। মা-বোনেদের ওপর অত্যাচার আমরা কোনোভাবেই বরদাস্ত করব না। রাজ্য সরকারের উচিত এই ধরনের কড়া পদক্ষেপ নেওয়া।”
সামাজিক লজ্জায় অনেক ভুক্তভোগীই থানায় লিখিত অভিযোগ জানাতে পিছপা হচ্ছেন। এই প্রসঙ্গে বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সাধারণ সম্পাদক চন্দন দত্ত মহিলাদের ভয় না পেয়ে দ্রুত এফআইআর করার পরামর্শ দিয়েছেন।
অন্যদিতে, পুজোর মুখে নিরাপত্তা বজায় রাখতে সক্রিয় হয়েছে প্রশাসনও। লিখিত অভিযোগ না থাকলেও পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তদন্ত শুরু করেছে। শহরের নির্জন পয়েন্টগুলিতে সন্ধ্যার পর থেকে টহলদারি বাড়ানো হয়েছে। দুষ্কৃতীদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।