‘ইন্টারনেটে ভোট হলেও হারবে!’ মল্লিকার্জুন-মমতাদের কটাক্ষ করে রেজিনগরে গর্জে উঠলেন শমীক

‘ইন্টারনেটে ভোট হলেও হারবে!’ মল্লিকার্জুন-মমতাদের কটাক্ষ করে রেজিনগরে গর্জে উঠলেন শমীক

মুর্শিদাবাদ: দিল্লির দরবারে ফের জমে উঠেছে বিরোধী জোট ‘ইন্ডি’র (INDIA) বৈঠক। রাহুল-সোনিয়া থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়—এক ছাদের তলায় একাধিক বিরোধী মুখ। কিন্তু বৈঠকের আসল বিতর্ক ঘনীভূত হলো নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের দাবি, ইভিএমে (EVM) ভোট মানেই কারচুপি, তাই দেশকে ফের ব্যালট পেপারেই ফিরিয়ে আনা উচিত।

বিরোধীদের এই ব্যাটল ফর ব্যালট নিয়ে এবার রেজিনগরে দাঁড়িয়ে পাল্টা তোপ দাগলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

‘বাড়িতে বসে ভোট হলেও কংগ্রেস হারবে!’ খাড়গের প্রস্তাবের কড়া জবাব দিয়ে শমীক ভট্টাচার্য তোপ দেগে বলেন, “ব্যালটে ভোট হলেও মল্লিকার্জুন খাড়গের দল হারবে, আবার ইভিএমে হলেও হারবে! এমনকী যদি ভবিষ্যতে বাড়িতে বসে ইন্টারনেটে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়, তাহলেও ওরা আরও বড় ব্যবধানে হারবে। ওদের জেতার কোনো কারণই নেই।” কংগ্রেসকে সরাসরি ‘পরজীবী রাজনৈতিক দল’ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।

পঞ্চায়েত ভোটের স্মৃতি উসকে কটাক্ষ রাজ্যের বিগত ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বিজেপি নেতৃত্বের প্রশ্ন—সেবার তো ভোট ব্যালট পেপারেই হয়েছিল! কিন্তু গণতন্ত্র রক্ষা পাওয়ার বদলে জলে ভেসেছে, আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছে। তারপর আবির উড়িয়ে বিজয় উৎসবও পালন করা হয়েছিল। তবে কেন ফের সেই পুরোনো ব্যবস্থায় ফেরার দোহাই দেওয়া হচ্ছে?

দিল্লির বৈঠকে কী ঘটেছিল? দিল্লির এই ৩ ঘণ্টার বৈঠকে রাহুল গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও অনলাইনে যোগ দিয়েছিলেন উদ্ধব ঠাকরে ও হেমন্ত সোরেম। বৈঠক শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আত্মবিশ্বাসের সুরে বলেন, “আমরা লড়ব, আমরা জিতব।”

অন্যদিকে, খাড়গে স্পষ্ট জানিয়ে দেন—সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষার খাতিরে আগামী ২ থেকে ৮ অক্টোবর জেলায় জেলায় ‘সেভ ডেমোক্রেসি মার্চ’ এবং ৬ অক্টোবর সব বিরোধী সাংসদরা মিলে ‘ইলেকশন কমিশন মার্চ’ বা নির্বাচন কমিশন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *