সোশ্যাল মিডিয়ার ‘প্লাস্টিকের ডিম’ আতঙ্কে দিশেহারা জনসাধারণ! উত্তর দিল সরাসরি FSSAI
সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘প্লাস্টিকের ডিম’ সংক্রান্ত নানা ভিডিও দেখে সাধারণ মানুষের মনে প্রায়শই সংশয় ও আতঙ্ক তৈরি হয়। এই বিভ্রান্তি দূর করতে ভারতের কেন্দ্রীয় খাদ্য সুরক্ষা সংস্থা (FSSAI) সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা সামনে এনেছে। সংস্থাটির মতে, বাজারে কোনো প্লাস্টিকের ডিম হয় না; বরং বাসি ডিমের গঠনগত পরিবর্তনের কারণেই এই ভুল ধারণার সৃষ্টি হয়। ডিম আসল নাকি বাসি, তা ঘরে বসেই সাধারণ ‘জল পরীক্ষা’ বা ওয়াটার টেস্টের মাধ্যমে যাচাই করা সম্ভব। একটি জলভরা গ্লাসে ডিমটি ডুবিয়ে দিলে তা যদি সোজা তলদেশে গিয়ে শুয়ে পড়ে, তবে বুঝতে হবে সেটি একদম টাটকা। পক্ষান্তরে, ডিমটি জলে ভেসে উঠলে বা সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে তা প্লাস্টিকের নয়, বরং অনেকটাই পুরনো বা বাসি।
বাস্তবে ডিমের খোসায় হাজার হাজার অতিসূক্ষ্ম ছিদ্র থাকে, যা দিয়ে সময়ের সাথে সাথে ভেতরের আর্দ্রতা শুকিয়ে বাতাসে পূর্ণ হয়। ডিম যত বাসি হয়, ভেতরের বাতাসের বুদ্বুদ বড় হওয়ার কারণে সেটি হালকা হয়ে জলে ভাসতে শুরু করে। এছাড়া, ডিম ভাঙার পর কুসুম ও সাদা অংশ সহজেই মিশে যাওয়াও কোনো কৃত্রিমতার লক্ষণ নয়, বরং এটি সময়ের সাথে ডিমের অভ্যন্তরীণ স্থিতিস্থাপকতা কমে যাওয়ার স্বাভাবিক পরিণতি। FSSAI-এর বার্তা স্পষ্ট, সোশ্যাল মিডিয়ার ভিত্তিহীন গুজবে কান না দিয়ে বিজ্ঞানের ওপর আস্থা রেখে এবং সহজ ঘরোয়া পরীক্ষা চালিয়ে ডিমের আসল সত্যতা জেনে নেওয়া উচিত।