আগামী বছরেই বদলে যাবে বাংলার চেহারা? জঞ্জালমুক্ত রাজ্য গড়ার বড় অঙ্গীকার অগ্নিমিত্রার

জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর জন্মজয়ন্তীর প্রাক্কালে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যাসাগর সভাগৃহে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো ‘স্বচ্ছতা অভিযান ২০২৬’ এবং ‘নমো সেবা গাথা’। বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বন্দে মাতরম’ গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। স্বাগতিক বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক কল্লোল পাল বর্জ্যমুক্ত ভারত গড়তে তরুণ সমাজকে মানসিকতা পরিবর্তনের আহ্বান জানান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল সিঙ্গল-ইউজ প্লাস্টিক বর্জন, ভুট্টার দানার পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ব্যবহার এবং ‘স্বচ্ছ অ্যাপ’-এর মাধ্যমে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি কল্যাণীর বিধায়ক অনুপম বিশ্বাসের প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে একটি প্রধান রাস্তার নাম ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির নামে করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং ২০২৭ সালের মধ্যে সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের জমে থাকা বর্জ্য নির্মূলের সংকল্প ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকার কল্যাণী, শান্তিপুর, নবদ্বীপ ও রানাঘাট এলাকা যুক্ত করে ‘চৈতন্যনগর’ নামে একটি মেগাসিটি গড়ার যুগান্তকারী প্রস্তাব পেশ করেন। সহ-উপাচার্য অধ্যাপক পার্থপ্রতিম সরকার ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন প্রতিরোধে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। মূল আলোচনার পাশাপাশি প্রশাসনিক ভবনের সামনে আয়োজিত পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, গবেষক ও দুই শতাধিক ছাত্রছাত্রী সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।