অন্যের নামে একের পর এক সক্রিয় সিম, সুমিতের জালে কালীঘাটের বাসিন্দারাও, ফাঁস বালি পাচারের নামান্তর?

অন্যের নামে একের পর এক সক্রিয় সিম, সুমিতের জালে কালীঘাটের বাসিন্দারাও, ফাঁস বালি পাচারের নামান্তর?

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের মোবাইল ব্যবহার ঘিরে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। বেআইনি বালি পাচার মামলায় ধৃত সুমিতকে জেরা করে বিস্ফোরক তথ্য পেল শালবনী থানার পুলিশ। তদন্তে জানা গেছে, সুমিতের ব্যবহৃত একাধিক সিম নিজের নামে নয়, বরং কালীঘাট ও সংলগ্ন এলাকার অন্য বাসিন্দাদের নথি দিয়ে তোলা হয়েছিল। যার মধ্যে বেশ কয়েকটি নম্বর এখনও সক্রিয়। সরকারি আইনজীবীর দাবি, এই সিমগুলি ব্যবহারের নেপথ্যে বড় অঙ্কের বেআইনি আর্থিক লেনদেন বা ইউপিআই মারফৎ টাকা আদান-প্রদানের যোগ থাকতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পুলিশ আধিকারিকরা সিমের আসল মালিকদের তলব করে মুখোমুখি জেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

আইনি জটিলতা ও তদন্তের পরিধি বাড়ায় আদালত সুমিতের জামিনের আবেদন খারিজ করে তাকে ফের দুই দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠিয়েছে। পুলিশের মূল উদ্দেশ্য হলো, অন্যের নামে নেওয়া এই সিমগুলির মাধ্যমে ঠিক কার কার সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হতো এবং বালি পাচারের কালো টাকা এই নম্বরগুলির সাহায্যে পাচার করা হয়েছে কি না তা বের করা। কালীঘাটের বাসিন্দাদের পরিচিতি ব্যবহার করে এমন বেআইনি কাজ চলায় রাজনৈতিক মহলেও তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ এখন সিমের আসল নথি প্রদানকারী ও আর্থিক লেনদেনের যোগসূত্র উদঘাটনে জোর কদমে তদন্ত চালাচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *