নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে ভোটযুদ্ধ, দ্বিতীয় স্থান কার দখলে, গ্রেফতারিতে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি!

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন চলাকালীন রাজ্য রাজনীতিতে রাজনৈতিক সমীকরণ ও উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছে। রেজিনগরে ভোটের দিনই পুলিশের সঙ্গে তীব্র তর্কাতর্কি ও ধস্তাধস্তির জেরে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নওদা ও রেজিনগর দুই আসনেই জেতার পর হুমায়ুন কবীর রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় সেখানে এই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অন্যদিকে, বিজেপি নেতৃত্বাধীন পরিস্থিতিতে সংখ্যালঘু ভোট ব্যাংকের প্রভাব থাকায় রেজিনগরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখা যাচ্ছে, যেখানে আম জনতা উন্নয়ন পার্টি ও বিজেপির মধ্যেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস দিচ্ছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপির শক্ত অবস্থান থাকলেও, মূল কৌতূহল তৈরি হয়েছে দ্বিতীয় স্থান নিয়ে। বিগত সাধারণ নির্বাচনে মাত্র ০.৩২ শতাংশ ভোট পাওয়া কংগ্রেস এবার শক্তিশালী অবস্থানে উঠে এসে আলোচনার কেন্দ্রে জায়গা করে নিয়েছে। তৃণমূলের রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনপ্রিয়তার প্রভাব এবং পূর্ববর্তী তৃণমূল সমর্থকদের সমর্থন পাওয়ায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেসের দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে এই দুই কেন্দ্রের ফল রাজ্য রাজনীতির আগামী সমীকরণ নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।