স্মার্টফোনে আঙুল থামবেই: দিল্লিতে নাটকীয় মোড়, রাহুল-অভিষেকদের আটক ঘিরে রণক্ষেত্র রাজধানী!

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এসআইআর-র বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ফের উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানী দিল্লি। মঙ্গলবার সকাল ১১টা নাগাদ ইন্ডিয়া ব্লকের শীর্ষ নেতৃত্ব—রাহুল গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী, মল্লিকার্জুন খর্গে এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের যৌথ নেতৃত্বে সংসদ থেকে নির্বাচন কমিশন কার্যালয় অভিমুখে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। আন্দোলনকারীরা কমিশনের ভবনের ২০০ মিটার দূরে পৌঁছাতেই দিল্লি পুলিশ কড়া নিরাপত্তাবেষ্টনী গড়ে তোলে এবং মিছিল আটকে দেয়। প্রতিবাদ জানাতে সমাজবাদী পার্টির সাংসদেরা ব্যারিকেডে চড়ে বসেন এবং রাহুল গান্ধী নীতি আয়োগের সামনে ধর্নায় বসেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করে আন্দোলনকারী একাধিক প্রভাবশালী সাংসদকে আটক করে বাসে তুলতে শুরু করে।
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘ভোট চুরি’ ও ভোটাধিকার হরণের গুরুতর অভিযোগ তুলে সরব হন আন্দোলনকারী শীর্ষ নেতারা। তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, বাংলাসহ একাধিক রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। পুরো এলাকা কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হলেও বিরোধীদের তীব্র স্লোগানে পরিস্থিতি থমথমে হয়ে ওঠে। পুলিশের ব্যাপক তৎপরতার মধ্যে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীদের থানায় নিয়ে না গিয়ে সরাসরি আকাশবাণী ভবনের দিকে পাঠায় প্রশাসন। রাজধানীতে বিরোধী শিবিরের এই অভাবনীয় প্রতিবাদ ও শীর্ষ নেতাদের আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা চরম আকার ধারণ করেছে।