আইনজীবীদের ব্যর্থতা না কি নতুন রণকৌশল? ডেডলাইন পেরিয়েও সাংসদপদ বাঁচাতে ফের সময় চাইছেন সুদীপ-কাকলিরা!

তৃণমূলের টিকিটে জিতে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদের পদ খারিজের মামলায় ফের তৈরি হলো নতুন জট। দলত্যাগবিরোধী আইনের আওতায় কেন তাঁদের সাংসদপদ বাতিল করা হবে না, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার দেওয়া সেই নোটিসের জবাব দেওয়ার শেষ দিন ছিল ৮ অক্টোবর। কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও উত্তর জমা দিতে পারলেন না কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও শতাব্দী রায়ের মতো সাংসদরা। আইনজীবীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব প্রস্তুত করতে না পারায়, সুপ্রিম কোর্টের এক মাস সময়সীমার আর্জিকে হাতিয়ার করে আবারও স্পিকারের দফতরে মেল পাঠিয়ে অতিরিক্ত দুই সপ্তাহ সময় চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই নিয়ে টানা তিনবার দলত্যাগী সাংসদদের পক্ষ থেকে সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন জানানো হলো, যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে জোর রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। এই বিলম্ব নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তৃণমূলের কুণাল ঘোষ প্রশ্ন তুলেছেন, জনপ্রতিনিধি হয়েও অবস্থান স্পষ্ট করতে এত সময় কেন নেওয়া হচ্ছে! অন্যদিকে, বিজেপি নেতা দেবজিৎ সরকার বিষয়টিকে পুরোপুরি তাঁদের দলগত অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে এড়িয়ে গিয়েছেন। সুপ্রিম কোর্ট এই গোটা প্রক্রিয়ায় স্পিকারের ভূমিকার ওপর কড়া নজর রাখার নির্দেশ দেওয়ায়, আগামী দিনে এই ২০ জন সাংসদের রাজনৈতিক ভাগ্য কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে ওয়াকিবহাল মহল।