‘টাকা ফেরত দিতেই হবে, না হলে সোজা জেল!’ আবাস যোজনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কড়া হুঁশিয়ারি

সরকারি প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা যাতে কোনোভাবেই অন্যায্য বা ‘অযোগ্য’ ব্যক্তি না পান, তা নিশ্চিত করতে চরম কঠোর অবস্থান নিল রাজ্য সরকার। অবৈধ বা বেআইনি উপায়ে সরকারি অর্থ পেয়ে থাকলে তা অবিলম্বে ফেরত দিতে হবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নির্দেশ অমান্য করলে অপরাধীদের জেলে যেতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
ভূতনিতে বন্যা দুর্গতদের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (পিএম আবাস যোজনা) নিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী। বিরোধী তৃণমূলের অপপ্রচারের জবাব দিয়ে তিনি বলেন, “বিজেপি সরকার ধর্ম বা জাতিভেদের ঊর্ধ্বে উঠে প্রতিটি প্রকৃত গৃহহীন মানুষকে সাহায্য করেছে। আগের সরকার ৬৭,১১৩ জন উপভোক্তাকে প্রথম কিস্তির টাকা দিয়েছিল। আমাদের সরকার সঠিক তথ্য যাচাই করার পর ৫৬,৭৬০টি পরিবারকে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা হস্তান্তর করেছে।”
আবাস যোজনায় দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “টাকা ফেরত দিতেই হবে, নচেৎ জেলে যেতে হবে। পাঁচ মাস পার হয়ে গেছে বলে ভাববেন না যে আমরা বিষয়টি ভুলে গিয়েছি।” এর পাশাপাশি, মালদহ জেলায় সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য আরও ৩,১৪,৬০২টি নতুন বাড়ি তৈরি করা হবে বলে জানান তিনি।
শুধু আবাস যোজনাই নয়; অন্নপূর্ণা যোজনা ও কৃষক বন্ধুর মতো বিভিন্ন জনকল্যাণমুখী সরকারি প্রকল্পের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার প্রশাসনিক কড়াকড়ি শুরু করেছে। অন্যায্যভাবে নাম তুলে সুবিধা ভোগকারীদের চিহ্নিত করে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।