২৩ হাজার পুলিশ ও ইন্টারনেট বন্ধ! ‘ককরোচ’ মিছিলে রণক্ষেত্র দিল্লি, কী বলছে সুপ্রিম কোর্ট?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ইস্তফার দাবিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র পূর্বঘোষিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে পুরো দিল্লি। বিক্ষোভের কোনো অনুমতি না থাকায় জনপথ ও কর্তব্যপথ সংলগ্ন চার কিলোমিটার এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শহরজুড়ে প্রায় ২৩ হাজার পুলিশ ও আধাসেনা মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি, মধ্য দিল্লিতে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা বলবৎ রয়েছে এবং পরিস্থিতি সামলাতে সমস্ত মদের দোকানও বন্ধ রাখা হয়েছে।
শনিবারের এই কর্মসূচি ঘিরে রাজধানীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। নয়াদিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনে ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি কলকাতা থেকে দিল্লিগামী জোড়া রাজধানী এক্সপ্রেস বাতিল করা হয়েছে। ট্রেন ও মেট্রো পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ রাখার সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিরোধীরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ সাফ জানিয়েছে, জননিরাপত্তা জরুরি হলেও পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ করা যাবে না। পুলিশ ও প্রশাসনের কড়া নজরদারিতে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।