রান্নাঘরের বাজেটে বিরাট ধাক্কা, কোন কোন জিনিসের দামে পকেট ফাঁকা হচ্ছে জানুন!

বাজার করতে গিয়ে মধ্যবিত্তের কালঘাম ছুটে যাওয়ার জোগাড় হয়েছে। হু হু করে বাড় costosing খাদ্যপণ্যের দাম, যার ফলে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দেশে খাদ্যে মুদ্রাস্ফীতি পৌঁছে গিয়েছে ৭.৭৪ শতাংশে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, কনজিউমার ফুড প্রাইস ইন্ডেক্স বা সিএফপিআই-এর এই ঊর্ধ্বগতির জেরে রান্নাঘরের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে গিয়ে সাধারণ মানুষের পকেট গড়ের মাঠ হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতির হার ৮.০৬ শতাংশ এবং শহরাঞ্চলে ৭.১৮ শতাংশ হওয়ায় সামগ্রিক খরচের চাপ আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।
মূল্যবৃদ্ধির এই বাজারে সবচেয়ে বেশি ছ্যাঁকা দিচ্ছে পেঁয়াজ, আদা ও রসুনের মতো প্রাত্যহিক রান্নার উপকরণগুলি। সেপ্টেম্বরে পেঁয়াজের মূল্যস্ফীতি এক লাফে ১০৮.০৯ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছে, যা অগাস্ট মাসেও ছিল ৪৮.৭৮ শতাংশ। পাশাপাশি, আদার দাম ৬২.৮৫ শতাংশ এবং রসুনের দাম ৫৪.৬২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে সমস্ত পণ্যের দাম বাড়েনি; স্বস্তির বিষয় হলো—আলুর দাম ১১.৫০ শতাংশ এবং টমেটোর দাম ৮.৬২ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূলত সাপ্লাই chain-এর চাপ ও পরিবহণ খরচ বৃদ্ধির ফলেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের সঞ্চয়ের ওপর।