উৎসবের মরশুমে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বড় খবর! সপ্তম পে কমিশন নিয়ে রাজ্য সরকারের নয়া নির্দেশিকা জারি

উৎসবের মরশুমে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বড় খবর! সপ্তম পে কমিশন নিয়ে রাজ্য সরকারের নয়া নির্দেশিকা জারি

উৎসবের আনন্দ কাটতে না কাটতেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য এলো এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খবর। প্রতিশ্রুতি বজায় রেখে ক্ষমতায় এসেই সপ্তম পে কমিশন (7th Pay Commission) সংক্রান্ত ঘোষণা করেছিল রাজ্য সরকার। এবার সেই নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবে রূপায়নের লক্ষ্যে সরকারি কর্মীদের বেতন ও ভাতার বিন্যাস পর্যালোচনার প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হলো।

সপ্তম পে কমিশনের কাজকে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে এগিয়ে নিতে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতর থেকে বিস্তারিত কর্মী তথ্য সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

⚙️ দফতরভিত্তিক তথ্য সংগ্রহের জন্য অনলাইন ব্যবস্থা

সম্প্রতি পে কমিশনের সদস্য-সচিব দেবী প্রসাদ করণম একটি বিশেষ নির্দেশিকা প্রকাশ করেছেন। এই নির্দেশিকায় সমস্ত সরকারি দফতরে কর্মরত পদ, পরিষেবা এবং ক্যাডার সম্পর্কিত পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • অনলাইন পোর্টাল: সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে একটি নির্দিষ্ট অনলাইন পোর্টাল চালু করা হয়েছে।
  • প্রশ্নমালা ও ছক পূরণ: কমিশন নির্ধারিত পোর্টালের মাধ্যমে প্রশ্নমালার উত্তর ও নির্ধারিত ছকে সমস্ত তথ্য জমা দিতে হবে।
  • নোডাল অফিসার নিয়োগ: নির্দেশিকায় প্রতিটি দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব, প্রধান সচিব এবং সচিবদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে সংশ্লিষ্ট নোডাল আধিকারিকরা অবিলম্বে এই কাজ সম্পন্ন করেন। নোডাল অফিসাররা তাঁদের নিজস্ব মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে পোর্টালে লগ-ইন করে যাবতীয় তথ্য জমা দেবেন।

💡 কেন এই প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ?

রাজ্য সরকারি কর্মীদের বিদ্যমান বেতন ও ভাতা কাঠামো পুনর্মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রস্তুত করবে নতুন কমিশন। এর জন্য:

  • সঠিক কাঠামোগত তথ্য: বিভিন্ন দফতরের অধীনস্থ পদ, ক্যাডার এবং কর্মচারীদের নিখুঁত তথ্য কমিশন গঠনের প্রস্তাবের ‘পার্ট এ’ এবং ‘পার্ট বি’ অনুযায়ী সংগ্রহ করা হবে।
  • ভবিষ্যৎ সুপারিশের ভিত্তি: রাজ্য সরকারের অধীনে থাকা মোট পদের সংখ্যা, সার্ভিসের বিন্যাস এবং কোন কোন কর্মচারী এর আওতাভুক্ত হচ্ছেন—তার ওপর ভিত্তি করেই বর্তমান কাঠামো খতিয়ে দেখার কাজ এগোবে।

সংগৃহীত তথ্যের পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনার পরেই পে কমিশন নতুন বেতন কাঠামোর চূড়ান্ত রূপরেখা ও সুপারিশ পেশ করবে। ফলে, এই তথ্য সংগ্রহের কাজই হতে চলেছে সপ্তম পে কমিশন বাস্তবায়নের অন্যতম প্রধান মূলভিত্তি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *