সপ্তম পে কমিশন নিয়ে সরকারের নয়া পদক্ষেপে শোরগোল! খুশির হাওয়ার মাঝেই কেন ক্ষোভ কর্মীদের?

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা কাঠামো পুনর্মূল্যায়নের লক্ষ্যে সপ্তম পে কমিশনের তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করল রাজ্য সরকার। কমিশনের সদস্য-সচিব দেবী প্রসাদ করণম সম্প্রতি জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বিভিন্ন দফতরের কর্মী, পদ, পরিষেবা এবং ক্যাডার সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য নির্দিষ্ট অনলাইন পোর্টালে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ‘পার্ট এ’ এবং ‘পার্ট বি’ ফর্মের মাধ্যমে এই তথ্য সংগ্রহ করা হবে, যার ওপর ভিত্তি করেই কমিশন তাদের সুপারিশ তৈরি করবে। সরকারের এই ইতিবাচক পদক্ষেপে কর্মচারীদের একটি বড় অংশ আশার আলো দেখছেন।
তবে এই নতুন নির্দেশের সময়সীমা নিয়ে দেখা দিয়েছে তীব্র বিতর্ক ও অসন্তোষ। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির নেতা স্বপন মণ্ডল সরকারের এই পদক্ষেপে প্রশ্ন তুলে জানান যে, তথ্য জমা দেওয়ার কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করা হয়নি। এর ফলে দফতরগুলি ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য প্রদানে বিলম্ব করতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত নতুন পে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে অনাকাঙ্ক্ষিত দেরি ঘটাবে। তথ্য সংগ্রহের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াটি যাতে দ্রুত সম্পন্ন হয়, তার জন্য অবিলম্বে একটি সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক ও কর্মচারী নেতারা।