‘হুমায়ুনকেও নাকি কথা দিয়েছিলেন…’, শুভেন্দু-সুদীপ সাক্ষাৎ নিয়ে ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য সজলের

‘হুমায়ুনকেও নাকি কথা দিয়েছিলেন…’, শুভেন্দু-সুদীপ সাক্ষাৎ নিয়ে ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য সজলের

লক্ষ্মীপুজোয় সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই সাক্ষাৎ ঘিরে কলকাতার পুরভোটে বিজেপি ও এনসিপিআইয়ের সম্ভাব্য জোট নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই রাজনীতির পুরনো এক অধ্যায়ের কথা মনে করালেন সজল ঘোষ। তাঁর মন্তব্য, ‘হুমায়ুন কবীরের যে কী দশা হল!’ তবে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবিষ্যৎ নিয়েও একই পরিণতির ইঙ্গিত দিচ্ছেন কি না, তা স্পষ্ট করতে চাননি সজল।

সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল, লক্ষ্মীপুজোয় সুদীপের বাড়িতে শুভেন্দুর যাওয়া কি পুরভোটে বিজেপি-এনসিপিআই জোটের ইঙ্গিত? জবাবে সজল বলেন, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এনডিএ-র সহযোগী হলেও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব স্পষ্ট করে দিয়েছে, বাংলায় দল একক ভাবেই লড়বে। তাঁর কথায়, জোর করে বাড়িতে ডেকে নাড়ু খাইয়ে এটা প্রতিষ্ঠা করা যাবে না।’

সজলের আরও বক্তব্য, ‘জ্যোতিবাবুও তো বিধানচন্দ্র রায়ের বাড়ি যেতেন। আমিও কয়েকজন তৃণমূল নেতাকে দেখে প্রণাম করেছি। তাতে কী হয়েছে?’ 

এর পরেই হুমায়ুন কবীরের প্রসঙ্গ তোলেন সজল। বলেন, ‘শুভেন্দুবাবু নাকি তাঁকেও কী কথা দিয়েছিলেন। তার পর যা অবস্থা হল!’ তবে সুদীপের ক্ষেত্রেও তেমন কিছু হবে কি না, প্রশ্ন করা হলে সজল স্পষ্ট করে দেন, তিনি সে কথা বলেননি। অন্য প্রসঙ্গে হুমায়ুনের কথা উল্লেখ করেছেন মাত্র।

জোটে কি অস্বস্তিতে বিজেপি কর্মীরা?
সজলের কথায়, যে দলের বিরুদ্ধে লড়াই, তাদের সঙ্গেই জোট হলে কর্মীদের একাংশের খারাপ লাগা স্বাভাবিক। তবে রাজনীতিতে সমীকরণ বদলায়। উদাহরণ হিসেবে কংগ্রেস ও সিপিএমের এক সময়ের জোটের কথাও তুলে ধরেন তিনি। 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *