স্বামীর সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলার পরই মর্মান্তিক পরিণতি, বাগদায় তরুণীর রহস্যমৃত্যু ঘিরে দানা বাঁধছে রহস্য

হোয়াটসঅ্যাপ কলে স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথোপকথনের ঠিক পরেই রহস্যজনকভাবে উদ্ধার হলো এক তরুণীর ঝুলন্ত দেহ। এই আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা এলাকা জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিয়ের মাত্র চার মাসের মাথায় এমন ঘটনায় শোকে ভেঙে পড়েছে মৃতার পরিবার। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, পারিবারিক কলহ বা মানসিক চাপের জেরে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে এটি আত্মহত্যা নাকি এর নেপথ্যে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে বাগদা থানার পুলিশ। মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
মৃতার পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মাস চারেক আগে রানাঘাটের কুটিরপাড়া এলাকার মনিরুল দফাদারের সঙ্গে বাগদার নাটাবেড়িয়ার বাসিন্দা উনিশ বছরের সামিয়া মণ্ডলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে তাঁর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছে পরিবার। স্বামী কর্মসূত্রে বিদেশে থাকার সুবাদে হোয়াটসঅ্যাপ কলের মাধ্যমে স্ত্রীর ওপর চাপ সৃষ্টি করতেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে সামিয়া বাপের বাড়িতে চলে এসেছিলেন। বুধবার রাতে বিদেশ থেকে স্বামীর ফোন আসার পরেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।