বাজি ফাটাবেন কখন? কালীপুজো ও ছটপুজোয় সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশিকা জারি!

আসন্ন উৎসবের মরশুমে শব্দ ও বায়ুদূষণ রোধে কড়া অবস্থান নিয়েছে রাজ্য সরকার। সুপ্রিম কোর্ট ও কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশিকা মেনেই এ বছর কালীপুজো, ছটপুজো এবং জগদ্ধাত্রী পুজোয় শুধুমাত্র পরিবেশবান্ধব বা নির্দেশিত ‘গ্রিন ক্র্যাকার’ বাজি ব্যবহার করা যাবে। প্রশাসনের যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে জানানো হয়েছে, দীপাবলির দিন রাত আটটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত এবং ছটপুজোর দিন সকাল ছ’টা থেকে সকাল আটটা পর্যন্ত বাজি ফাটানোর সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। শব্দ সৃষ্টিকারী বাজির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শব্দসীমা ১২৫ ডেসিবেল এবং আলো সৃষ্টিকারী বাজির ক্ষেত্রে ৯০ ডেসিবেল রাখা হয়েছে। এছাড়া হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একশো মিটারের মধ্যে ‘সাইলেন্স জোন’ কঠোরভাবে মানতে হবে।
উৎসবের সময় অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি এড়াতে ফানুস ওড়ানো বা স্কাই ল্যান্টার্ন ব্যবহারের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, কারণ গ্রিন বাজির তালিকায় ফানুস অন্তর্ভুক্ত নয়। একান্তই ওড়াতে চাইলে দমকল বিভাগের আগাম লাইসেন্স বা ছাড়পত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অবৈধ বাজি মজুত, পরিবহন ও বিক্রি রুখতে বাজারগুলিতে নজরদারি বাড়ানো হবে এবং বৈধতা যাচাইয়ের জন্য প্যাকেটে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নিয়ম লঙ্ঘন করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা হিসেবে পণ্য বাজেয়াপ্ত এবং গ্রেফতার পর্যন্ত করা হতে পারে। প্রশাসন সাধারণ মানুষকে এই নির্দেশিকা মেনে উৎসবে সামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।