গোদাবরীর দুই তীরে অলৌকিক আলোর রোশনাই, বিশ্বরেকর্ডের লক্ষ্যে ঐতিহাসিক মহা গোদা আরতি

গোদাবরীর দুই তীরে অলৌকিক আলোর রোশনাই, বিশ্বরেকর্ডের লক্ষ্যে ঐতিহাসিক মহা গোদা আরতি

মহারাষ্ট্রের পবিত্র নাসিকে গোদাবরী নদীর ঘাটে বিশ্বরেকর্ড গড়ার লক্ষ্যে আয়োজিত হলো এক অভূতপূর্ব মহা গোদা আরতি। ২০২৭ সালের নাসিক-ত্র্যম্বকেশ্বর সিংহস্থ কুম্ভমেলার সূচনার অংশ হিসেবে রামকুণ্ড ও পঞ্চবটী ঘাটে এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করে নাসিক জেলা প্রশাসন এবং রামতীর্থ গোদাবরী সেবা সমিতি। উক্ত অনুষ্ঠানে স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। রামকুণ্ড ও কুশাবর্ত তীর্থে ধ্বজারোহণের পর প্রায় ৬,৫০০ জন আদিবাসী নারী-পুরুষের অংশগ্রহণে মন্ত্রোচ্চারণ, শঙ্খধ্বনি এবং হাজার হাজার প্রদীপের আলোয় এক অনন্য পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের প্রতিনিধিদের প্রত্যক্ষ নজরদারিতে অনুষ্ঠানটির সমস্ত তথ্য ও অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা নথিভুক্ত করা হয়। পেঠ, সুরগানা ও ত্র্যম্বকেশ্বরসহ বিভিন্ন আদিবাসী এলাকা থেকে আসা পুণ্যার্থীদের এই বিশেষ আরতির জন্য গত তিন মাস ধরে সুনির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। একমুখী দত্ত মন্দির থেকে রোকডোবা মন্দির পর্যন্ত নদীর উভয় তীর প্রদীপের সমারোহে আলোকিত হয়ে ওঠে। এই ঐতিহাসিক আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য কেবল বিশ্বরেকর্ড গড়া নয়, বরং আদিবাসী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বিশ্বের দরবারে উপস্থাপন করা, সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা করা এবং জলসম্পদ ও নদী সংরক্ষণের বার্তা পৌঁছে দেওয়া।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *