অবহেলা করলেই বিপদ! কিডনিতে পাথর জমার ৫টি লক্ষণ কি আপনার আছে?

শরীরের রক্ত পরিশুদ্ধ রাখা এবং ক্ষতিকর বর্জ্য ও অতিরিক্ত জল বের করে দেওয়ার অন্যতম প্রধান অঙ্গ হলো কিডনি। তবে অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, কম জল পানের অভ্যাস এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রার কারণে কিডনিতে পাথর হওয়ার সমস্যা দিন দিন মারাত্মক রূপ নিচ্ছে। প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগের প্রভাব বোঝা না গেলেও, সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ না নিলে এটি বড় বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
চিকিৎসকদের মতে, কিডনিতে পাথর জমলে শরীর আগে থেকেই কিছু স্পষ্ট সংকেত দেয়। এই ৫টি লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন:
- কোমর ও পিঠে অসহ্য যন্ত্রণা: পাঁজরের নিচে, কোমরের দুপাশে বা পিঠের নিম্নাংশে হঠাৎ প্রচণ্ড ব্যথা শুরু হওয়া। এই যন্ত্রণা প্রায়ই তলপেট ও কুঁচকির দিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া ও কষ্ট: প্রস্রাব করার সময় তীব্র ব্যথা বা জ্বালা হওয়া এবং অনেক সময় পর্যাপ্ত প্রস্রাব না হয়ে ফোঁটায় ফোঁটায় হওয়া।
- প্রস্রাবের রঙ বদল ও রক্তপাত: প্রস্রাবের রঙ অস্বাভাবিক গাঢ় হলুদ, গোলাপি বা লালচে হয়ে যাওয়া (প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া) এবং তীব্র দুর্গন্ধ পাওয়া।
- বারবার প্রস্রাবের বেগ: মূত্রনালীতে পাথরের উপস্থিতির কারণে বারবার প্রস্রাবের তাগিদ অনুভব করা।
- বমি ভাব ও কাঁপুনি দিয়ে জ্বর: পাথর নড়াচড়া করলে বা মূত্রনালীতে বাধা তৈরি হলে তীব্র বমি ভাব, মাথা ঘোরা এবং কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা।
প্রতিরোধের উপায়:
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঝুঁকি থেকে বাঁচতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত জল পান করা সবচেয়ে জরুরি। এর পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় সোডিয়াম ও অতিরিক্ত প্রোটিনের পরিমাণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত। উল্লেখিত লক্ষণগুলোর কোনোটি দেখা দেওয়া মাত্রই অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।