লেন্সকার্টে টিপ-সিঁদুর নিষিদ্ধ, হিজাবে ছাড়! নাজিয়া খানের পালটা চ্যালেঞ্জে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া

লেন্সকার্টে টিপ-সিঁদুর নিষিদ্ধ, হিজাবে ছাড়! নাজিয়া খানের পালটা চ্যালেঞ্জে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া

ভারতের জনপ্রিয় আইওয়্যার ব্র্যান্ড লেন্সকার্টের (Lenskart) নতুন ড্রেস কোড বা পোশাকবিধি ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, কো ম্পা নিটি তাদের হিন্দু কর্মীদের তিলক, সিঁদুর, রক্ষাবন্ধন সুতো, তুলসী মালা বা রুদ্রাক্ষ পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। অথচ একই নীতিমালায় হিজাব পরার ক্ষেত্রে অনুমতি বহাল রাখা হয়েছে। এই বৈষম্যমূলক আচরণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে নিন্দার ঝড় উঠেছে।

প্রতিবাদ ও নাজিয়া খানের ভূমিকা

এই ঘটনার প্রতিবাদে সরাসরি লেন্সকার্টের কার্যালয়ে উপস্থিত হন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বিজেপি নেত্রী নাজিয়া ইলাহি খান। তিনি সেখানে কর্মরত হিন্দু কর্মীদের কপালে তিলক পরিয়ে দিয়ে কো ম্পা নির এই বৈষম্যমূলক নিয়মের কড়া সমালোচনা করেন। নাজিয়া খানের এই পদক্ষেপের পর থেকেই বিষয়টি ভিন্ন মাত্রা পায়। বিশেষ করে সামাজিক মাধ্যমে তাঁর এই প্রতিবাদের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকে তিনি কট্টরপন্থীদের নিশানায় পরিণত হয়েছেন।

আন্তর্জাতিক হুমকি ও নিরাপত্তা শঙ্কা

নাজিয়া খান অভিযোগ করেছেন, লেন্সকার্টের হিন্দু কর্মীদের সমর্থন করায় পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠনের পক্ষ থেকে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, এক পাকিস্তানি ব্যক্তি নাজিয়াকে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় আক্রমণ করছে এবং ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করার দম্ভোক্তি দিচ্ছে। এই হুমকির প্রেক্ষিতে নাজিয়া খান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও দিল্লি পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। মূলত করপোরেট পলিসির আড়ালে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং তার পরবর্তী আন্তঃদেশীয় হুমকি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

এক ঝলকে

  • লেন্সকার্টের নতুন পোশাকবিধিতে সিঁদুর, তিলক ও রুদ্রাক্ষের মতো হিন্দু ধর্মীয় প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বিতর্ক।
  • বিজেপি নেত্রী নাজিয়া ইলাহি খান লেন্সকার্ট অফিসে গিয়ে কর্মীদের তিলক পরিয়ে প্রতিবাদ জানান।
  • এই ঘটনার পর পাকিস্তান থেকে নাজিয়া খানকে হত্যার হুমকি ও ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্র বানানোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
  • করপোরেট সংস্থায় ধর্মীয় বৈষম্যের এই ঘটনাটি বর্তমানে জাতীয় নিরাপত্তার ইস্যুতে রূপ নিয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *