নির্বাচনের মুখে বঙ্গে রাজনৈতিক পারদ তুঙ্গে: শাহের ‘গোপন’ বৈঠক নিয়ে ষড়যন্ত্রের বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূলের!

নির্বাচন দোরগোড়ায় আর তার আগেই উত্তপ্ত বাংলার রাজনীতি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে তদন্তকারী সংস্থাগুলোর শীর্ষ কর্তাদের একটি কথিত ‘গোপন বৈঠক’ ঘিরে রাজ্যে তোলপাড় শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, নির্বাচনের ফল নিজেদের পক্ষে আনতে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে হাতিয়ার করে এক গভীর ষড়যন্ত্রের ছক কষছে বিজেপি।
তৃণমূলের বিস্ফোরক অভিযোগ ও আশঙ্কিত জেলাসমূহ
তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন যে, সিবিআই, ইডি এবং এনআইএ প্রধানদের নিয়ে একটি জরুরি বৈঠক করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং দুই ২৪ পরগনায় কোনো বড় ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। শাসকদলের মতে, এই জেলাগুলোতে বিজেপি রাজনৈতিকভাবে দুর্বল বলেই কেন্দ্রীয় সংস্থাকে কাজে লাগিয়ে ভোটার ও নেতাকর্মীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক লড়াই ও সংঘাতের প্রভাব
তৃণমূলের এই কঠোর অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, আসন্ন নির্বাচন কেবল ব্যালটের লড়াই নয়, বরং তা এখন কেন্দ্রীয় বনাম রাজ্য সংঘাতের চূড়ান্ত রূপ নিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একলা লড়াইকে সামনে রেখে তৃণমূল প্রচার করছে যে, বিপুল কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ডজনখানেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে লড়াই করছেন বাংলার একমাত্র নারী মুখ্যমন্ত্রী। এই রাজনৈতিক তরজা সাধারণ ভোটারদের মধ্যে মেরুকরণ আরও তীব্র করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
এক ঝলকে
- কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সিবিআই, ইডি ও এনআইএ কর্তাদের গোপন বৈঠকের অভিযোগ করেছে তৃণমূল।
- দক্ষিণবঙ্গের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ জেলায় আগামী ৫ দিনের মধ্যে বড় ধরনের অভিযানের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
- বিজেপি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে তদন্তকারী সংস্থাকে ব্যবহার করছে বলে দাবি ডেরেক ও’ব্রায়েনের।
- নির্বাচনের ঠিক আগে এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।