১৫২-র মধ্যে লক্ষ্য ১৩৫! প্রথম দফার ভোট শেষে ‘বিপুল’ প্রত্যাবর্তনের দাবি তৃণমূলের

প্রথম দফার ভোট গ্রহণ পর্ব শেষ হতেই জয়ের ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের দাবি, ভোটের উচ্চ হার আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন এবং লড়াইয়ের প্রতি জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনের প্রতিফলন। প্রথম দফার ১৫২টি আসনের মধ্যে প্রায় ১৩৫টি আসনেই জয়লাভের ইঙ্গিত দিয়ে ঘাসফুল শিবির স্পষ্ট জানিয়েছে, বিজেপির বঙ্গ-বিরোধী অবস্থানকে মানুষ ব্যালটেই যোগ্য জবাব দিয়েছে।
উন্নয়নের জয় ও নারী শক্তির জোয়ার
তৃণমূল ভবনে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে দলের মুখপাত্ররা দাবি করেন, গতবারের তুলনায় ২০২৬-এ তৃণমূলের ভোট শতাংশ এবং আসন সংখ্যা দুই-ই বৃদ্ধি পেতে চলেছে। বিশেষ করে বিপুল সংখ্যক মহিলা ভোটারের উপস্থিতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারসহ ১০৫টির বেশি জনকল্যাণমুখী প্রকল্পের প্রতি আস্থার প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এনুমারেশনের পর পরিচ্ছন্ন ভোটার তালিকায় এই উচ্চ হারকে তৃণমূল ইতিবাচক পরিবর্তনের সংকেত হিসেবেই ব্যাখ্যা করছে।
বিরোধীদের কৌশল ও মেরুকরণ ব্যর্থ
তৃণমূল নেতৃত্বের মতে, কেন্দ্রীয় এজেন্সি বা আধাসেনা দিয়ে ভয় দেখিয়ে বাংলার মানুষকে দমানো সম্ভব হয়নি। নন্দীগ্রামসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে বিজেপি পিছু হটেছে বলে দাবি করে ঘাসফুল শিবির জানিয়েছে, শুভেন্দু অধিকারীর মতো হেভিওয়েট নেতারাও এবার হারের সম্মুখীন। বাংলাদেশিদের নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য কিংবা ৯১ লক্ষ মানুষের নাম বাদ দেওয়ার মতো ইস্যুগুলো বিজেপির বিরুদ্ধেই বুমেরাং হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা তৃণমূলকে নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতার পথে অনেকটা এগিয়ে দিয়েছে।
এক ঝলকে
- প্রথম দফার ১৫২টি আসনের মধ্যে প্রায় ১৩৫টিতেই জয়ের আশা তৃণমূলের।
- নারী ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকল্পের সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
- ২০২৬ নির্বাচনে গতবারের তুলনায় আসন ও ভোটের শতাংশ বৃদ্ধির দাবি।
- শুভেন্দু অধিকারীর পরাজয় এবং নন্দীগ্রামে জয়ের ব্যাপারে পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী শাসক দল।