সোনারপুরে ভোটের প্রচারে রণক্ষেত্র, ‘আক্রান্ত’ রাজন্যা

ভোটের উত্তাপের মাঝেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিল সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্র। নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে হামলার মুখে পড়লেন ওই কেন্দ্রের নির্দল প্রার্থী রাজন্যা হালদার। অভিযোগের তির স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর রেশনা মণ্ডলের স্বামী শাহেনশার দিকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এবং রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে উঠেছে।
রাজন্যার দাবি, এদিন এলাকায় প্রচার করার সময় তিনি স্থানীয় কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরছিলেন। সেই সময়ই তৃণমূল কাউন্সিলরের অনুগামীরা তাঁর ওপর চড়াও হয়। নির্দল প্রার্থীর অভিযোগ, তাঁকে লক্ষ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার পাশাপাশি শারীরিক নিগ্রহও করা হয়েছে, যার জেরে তাঁর হাতের আঙুল ভেঙে গিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
পাল্টা অভিযোগ ও আইনি পদক্ষেপ
হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল শিবিরের পক্ষ থেকে পাল্টা দাবি করা হয়েছে। শাসক দলের অভিযোগ, রাজন্যা হালদার এলাকায় উসকানিমূলক ভাষণ দিচ্ছিলেন এবং শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছিলেন। কাউন্সিলরের স্বামী শাহেনশার দাবি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করেছেন ওই নির্দল প্রার্থী।
এই ঘটনার জেরে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে কারণ উভয় পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। নির্বাচনের মুখে প্রার্থীর ওপর হামলার এই ঘটনা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর বড় প্রশ্নচিহ্ন বসিয়ে দিল। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। নির্বাচনের ঠিক আগে এই সংঘাত ভোটবাক্সে কী প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার।
এক ঝলকে
- সোনারপুর দক্ষিণে প্রচারের সময় আক্রান্ত নির্দল প্রার্থী রাজন্যা হালদার।
- তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামীর বিরুদ্ধে মারধর ও আঙুল ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ।
- রাজন্যার বিরুদ্ধে পালটা উসকানিমূলক ভাষণের অভিযোগ শাসক শিবিরের।
- দুই পক্ষই স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে, তদন্তে পুলিশ।