ভোট দিতে যাওয়ার আগে সাবধান! বুথে ঢোকার আগে কী করবেন আর কী করবেন না? জেনে নিন জরুরি গাইডলাইন
.jpeg.webp?w=800&resize=800,533&ssl=1)
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ ঘিরে সাজ সাজ রব রাজ্যজুড়ে। আগামীকাল, ২৯ এপ্রিল সাতটি জেলার ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটাররা তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই কড়া নিরাপত্তার পাশাপাশি ভোটারদের জন্য বিস্তারিত নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন।
পরিচয়পত্র ও ভোটকেন্দ্রের প্রস্তুতি
ভোট দেওয়ার জন্য ভোটার কার্ড বা ‘এপিক’ (EPIC) প্রধান নথি হিসেবে বিবেচিত হলেও, তা না থাকলেও চিন্তার কারণ নেই। বিকল্প হিসেবে আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা পাসপোর্টের মতো সরকারি পরিচয়পত্র দেখিয়েও ভোট দেওয়া যাবে। প্রবীণ এবং বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে র্যাম্প, হুইলচেয়ার এবং আলাদা লাইনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তীব্র দাবদাহের কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রগুলিতে পানীয় জল, ছায়া ও প্রাথমিক চিকিৎসার সুবন্দোবস্ত থাকছে।
সতর্কতা ও বিধিনিষেধ
নির্বাচন প্রক্রিয়াকে কলুষমুক্ত রাখতে বেশ কিছু কঠোর নিয়ম বলবৎ করা হয়েছে। ভোটকেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এছাড়া, ভোট দেওয়ার সময় কোনও ছবি বা ভিডিও তোলা যাবে না এবং রাজনৈতিক পরিচয়বাহী কোনও পোশাক বা চিহ্ন প্রদর্শন করা দণ্ডনীয় অপরাধ। ভোটারদের সুবিধার্থে ভোটকক্ষে ইভিএম-এর পাশাপাশি ভিভিপ্যাট (VVPAT) যন্ত্র থাকবে, যেখানে সাত সেকেন্ডের জন্য নিজের দেওয়া ভোটের সত্যতা যাচাই করে নেওয়া যাবে।
অভিযোগ ও প্রতিকার
ভোটগ্রহণের সময় কোনও প্রকার অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে সাধারণ নাগরিকরা সরাসরি ‘cVIGIL’ অ্যাপের মাধ্যমে অভিযোগ জানাতে পারবেন। এছাড়া ইভিএম-এ কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে তৎক্ষণাৎ প্রিসাইডিং অফিসারকে জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলোর মূল লক্ষ্য হলো ভোটারের গোপনীয়তা রক্ষা করা এবং কোনো প্রকার প্রলোভন বা ভীতি প্রদর্শন ছাড়াই জনমত গঠন নিশ্চিত করা।
এক ঝলকে
- দ্বিতীয় দফায় সাতটি জেলার ১৪২টি আসনে ২৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ।
- ভোটকেন্দ্র খোলা থাকবে সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।
- ভোটার কার্ড না থাকলে আধার, প্যান বা পাসপোর্ট দেখিয়েও ভোট দেওয়া সম্ভব।
- বুথের ভেতর মোবাইল ব্যবহার ও ছবি তোলা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।