ভোট দোরগোড়ায়! কাল রাজ্যের ৭ জেলার ১৪২ কেন্দ্রে ভাগ্যপরীক্ষা, বুথে যাওয়ার আগে জানুন সময়সূচি ও গাইডলাইন

আগামী ২৯ এপ্রিল, বুধবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গত ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট শেষ হওয়ার পর এবার নজর দক্ষিণবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর দিকে। এই দফায় রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ৭টি জেলার মোট ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রে জনমত প্রতিফলিত হবে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। তবে নির্ধারিত সময়ের শেষে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভোটারদের হাতে স্লিপ দিয়ে ভোটদানের সুযোগ নিশ্চিত করবেন প্রিসাইডিং অফিসাররা।
ভোটের মানচিত্র ও প্রস্তুতি
দ্বিতীয় দফায় কলকাতার ১১টি আসনসহ উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান এবং নদীয়া জেলায় ভোটগ্রহণ করা হবে। এর মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনার সর্বাধিক ৩৩টি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩১টি আসনে লড়াই হবে। হেভিওয়েট প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণের এই দিনে নিরাপত্তা নিশ্চিতে সক্রিয় থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটারদের সহায়তায় লোকভবনে ২৪ ঘণ্টার ডেডিকেটেড হেল্পলাইন এবং নির্বাচন কমিশনের ১৯৫০ টোল-ফ্রি নম্বরটি চালু রাখা হয়েছে।
ভোটদানের নিয়ম ও সতর্কতা
ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের জন্য ভোটার কার্ড (EPIC) প্রদর্শন বাধ্যতামূলক হলেও বিকল্প হিসেবে আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা পাসপোর্ট ব্যবহারের সুযোগ থাকছে। নির্বাচন কমিশন কড়া নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, বুথের ভেতরে মোবাইল ফোন ব্যবহার, ছবি তোলা বা ভিডিও করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এছাড়াও কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতীক বা চিহ্ন বহন করে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে না। ইভিএমে ভোট দেওয়ার পর ভিভিপ্যাট (VVPAT) মেশিনে সাত সেকেন্ডের জন্য নিজের দেওয়া ভোটটি যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এক ঝলকে
- ভোটের তারিখ ও সময়: ২৯ এপ্রিল, বুধবার; সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা।
- আসন সংখ্যা ও জেলা: ৭ জেলার ১৪২টি আসনে ভোট (কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, নদীয়া ও পূর্ব বর্ধমান)।
- পরিচয়পত্র: ভোটার কার্ড ছাড়াও আধার, প্যান বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের মতো বিকল্প নথিতে ভোট দেওয়া যাবে।
- বিশেষ সতর্কতা: বুথের ভেতরে মোবাইল নিষিদ্ধ এবং ছদ্মবেশ ধারণ দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।