ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মাইকের শব্দে লাগাম, মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে পুলিশের জন্য কড়া বার্তা!

ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মাইকের শব্দে লাগাম, মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে পুলিশের জন্য কড়া বার্তা!

রাজ্যের প্রশাসনিক দায়িত্ব গ্রহণের পর শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে বড়সড় পদক্ষেপ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার নবান্নে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের উপস্থিতিতে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ধর্মীয় স্থান বা অনুষ্ঠানে নির্দিষ্ট ডেসিবেলের বাইরে মাইক বাজানো কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। জনস্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, শব্দের সীমা লঙ্ঘন করলেই পুলিশকে দ্রুত ও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

শব্দদূষণ রোধে প্রশাসনের কড়াকড়ি

পরিবেশ আদালতের নির্দেশিকা অনুযায়ী, বসতি এলাকায় শব্দের সর্বোচ্চ সীমা সাধারণত ৫৫ ডেসিবেল। বিশেষ উৎসবের ক্ষেত্রে এই মাত্রা কিছুটা শিথিল করা হলেও বর্তমান সরকার জনজীবনকে শান্তিময় রাখতে নিয়মের কঠোর প্রয়োগে আগ্রহী। মুখ্যমন্ত্রী এদিন বৈঠকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এতদিন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে মাইক বাজানো বা গভীর রাত পর্যন্ত লাউডস্পিকার ব্যবহারের যে প্রবণতা ছিল, তা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। বিশেষ করে অসুস্থ রোগী ও শিক্ষার্থীদের সমস্যার কথা বিবেচনা করেই প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান।

পুলিশকে বিশেষ দায়িত্ব ও প্রভাব

মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশের ফলে এখন থেকে ধর্মীয় স্থানগুলোতে শব্দবিধি মেনে চলা বাধ্যতামূলক হচ্ছে। নিয়মের অন্যথা হলে দায়িত্বরত পুলিশ আধিকারিকদের জবাবদিহি করতে হতে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের শব্দদূষণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং জনজীবনে শান্তি ফিরবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। মূলত শাসনব্যবস্থাকে আরও শৃঙ্খলিত করতেই প্রশাসনিক বৈঠকে এই বার্তা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *