তিলজলায় উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে, নওশাদকে ঘিরে মহিলাদের বিক্ষোভ

কলকাতার তিলজলা এলাকায় বৃহস্পতিবারও বেআইনি নির্মাণ ভাঙার কাজকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা বজায় ছিল। এদিন বিকেলে ভাঙন-স্থলে ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের (আইএসএফ) বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী উপস্থিত হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। তাকে সামনে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা, বিশেষ করে মহিলারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁরা বিধায়ককে ঘিরে ধরে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একের পর এক অভিযোগ জানাতে থাকেন।
পুলিশি তৎপরতা ও জনরোষের মুখে বিধায়ক
বেআইনি বাড়ি ভাঙার প্রক্রিয়া চলাকালীন এলাকায় আগে থেকেই প্রচুর পুলিশ মোতায়েন ছিল। তবে নওশাদ সিদ্দিকী ঘটনাস্থলে পৌঁছাতেই ভিড় বাড়তে শুরু করে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাড়ি ভাঙার সময় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী সাধারণ মানুষের প্রতি অতিসক্রিয়তা দেখাচ্ছে। উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে পুলিশকে বারবার মধ্যস্থতা করতে হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তা কর্মীরা রীতিমতো হিমশিম খান।
ভাঙনের কারণ ও সম্ভাব্য সামাজিক প্রভাব
তিলজলার এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মূলে রয়েছে প্রশাসনের বেআইনি নির্মাণবিরোধী অভিযান। শহরের নিয়ম বহির্ভূতভাবে গড়ে ওঠা কাঠামো উচ্ছেদে আদালত ও পুরসভার কঠোর অবস্থানের কারণেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে যথাযথ পুনর্বাসন বা আগাম সতর্কতা ছাড়া এই ধরনের অভিযান সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করছে। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের আগমন এবং পুলিশের সাথে জনগণের এই সংঘাত আগামী দিনে ওই এলাকায় দীর্ঘমেয়াদী ক্ষোভ ও আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।