চার বছরের দাম্পত্যের অবসান, বিচ্ছেদের মাঝেই ভাইরাল মৌনী রায়ের ১৯ বছর বয়সের পুরনো স্বীকারোক্তি

চার বছরের দাম্পত্যের অবসান, বিচ্ছেদের মাঝেই ভাইরাল মৌনী রায়ের ১৯ বছর বয়সের পুরনো স্বীকারোক্তি

চার বছরের সুখী দাম্পত্যে আকস্মিক ইতি টেনে বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা করলেন বলিউড অভিনেত্রী মৌনী রায় ও তাঁর স্বামী সুরজ নাম্বিয়ার। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি যৌথ বিবৃতি জারি করে এই তারকা দম্পতি তাঁদের বিচ্ছেদের খবরটি নিশ্চিত করেছেন এবং এই কঠিন সময়ে তাঁদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান জানানোর জন্য অনুরাগীদের কাছে অনুরোধ রেখেছেন। তবে এই বিচ্ছেদের খবরের রেশ কাটতে না কাটতেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে মৌনীর একটি বহু পুরনো সাক্ষাৎকারের ভিডিও, যা নিয়ে নেটপাড়ায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

ভাইরাল সেই পুরনো সাক্ষাৎকার

ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটি একটি টক-শোর, যেখানে সহ-অভিনেতা নবীন কস্তুরিয়ার সঙ্গে আড্ডায় মেতেছিলেন মৌনী। সেখানে নিজের ব্যক্তিগত জীবন ও প্রেম-বিয়ে নিয়ে এক চমকপ্রদ তথ্য শেয়ার করেছিলেন অভিনেত্রী। মৌনী জানিয়েছিলেন, মাত্র ১৯ বছর বয়সেই তিনি বিয়ে করার জন্য অত্যন্ত মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। এত অল্প বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে বসার এই আকুলতার পেছনে একটি বিশেষ মানসিক কারণও ব্যাখ্যা করেছিলেন তিনি।

সঙ্গী পাওয়ার নিরাপত্তা ও অনুভূতির খোঁজে

সাক্ষাৎকারে মৌনীকে বলতে শোনা যায়, জীবনের ওই অল্প বয়সে তাঁর মনে হয়েছিল যে নিজের বলতে একজন লাইফ পার্টনার বা সঙ্গী থাকলে এক ধরণের মানসিক নিরাপত্তা পাওয়া যায়। একজন আপনজন পাওয়ার যে অনুভূতি, তা জীবনের শূন্যতা পূরণ করে। সেই চিলতে চাওয়া থেকেই মাত্র ১৯ বছর বয়সে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলেন তিনি।

সুরজের সঙ্গে প্রেম ও পরিণয়

দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্কের পর ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে গোয়ায় জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুবাইয়ের ব্যবসায়ী সুরজ নাম্বিয়ারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন মৌনী রায়। বাঙালি ও দক্ষিণ ভারতীয়—দুই রীতি মেনেই হয়েছিল সেই রূপকথার বিয়ে। তাঁদের রসায়ন সবসময়ই অনুগামীদের নজর কাড়ত। কিন্তু হঠাৎ কী এমন ঘটল যার জন্য মাত্র চার বছরের মাথাতেই এই জুটিকে বিচ্ছেদের পথে হাঁটতে হলো, তা নিয়ে বলিউডের অন্দরে জল্পনা তুঙ্গে। পুরনো সেই ভিডিওর ‘নিরাপত্তা’ ও ‘আপনজন’ খোঁজার আকুতির সঙ্গে বর্তমানের এই বিচ্ছেদের বাস্তবতাকে মিলিয়ে দেখছেন নেটিজেনদের একাংশ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *