অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে গতি আনতে নজিরবিহীন তৎপরতা, ৩ জুনের ডেডলাইনে জেলায় জেলায় নামছেন শীর্ষ সচিবরা

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে গতি আনতে নজিরবিহীন তৎপরতা, ৩ জুনের ডেডলাইনে জেলায় জেলায় নামছেন শীর্ষ সচিবরা

রাজ্যে আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম পূরণের প্রক্রিয়া। তবে কাজ শুরুর প্রথম দিন থেকেই প্রশাসনিক স্তরে চরম কড়াকড়ি ও নজিরবিহীন তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে দ্রুত টাকা পৌঁছে দিতে এবার আর কোনো ঢিলেমি বরদাস্ত করতে নারাজ প্রশাসন। আগামী ৩ জুন থেকেই যোগ্য প্রাপকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ভাতার টাকা পাঠানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনিক রাশ ও কঠিন টার্গেট

প্রকল্পের ফর্ম পূরণ ও নাম নথিভুক্তিকরণের প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ নিশ্ছিদ্র এবং দ্রুত করতে রাজ্যের ২২টি জেলার জন্য ২২ জন শীর্ষস্তরের সচিব ও প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি পদমর্যাদার অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। রাজ্যের মুখ্য সচিব মনোজ আগরওয়ালের নির্দেশে এই শীর্ষ আমলারা সরাসরি গোটা প্রক্রিয়ার নজরদারি চালাবেন। অন্যদিকে, প্রশাসনিক এই তৎপরতার মাঝেই আগামী ২ জুনের মধ্যে নির্দিষ্ট টার্গেট পূরণের জন্য আইএএস অফিসারদের কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে, যাতে ৩ তারিখ থেকেই প্রকৃত উপভোক্তারা কোনো রকম জটিলতা ছাড়া সুবিধা পেতে শুরু করেন।

বাড়ি বাড়ি নজরদারি ও প্রযুক্তিগত কড়াকড়ি

প্রকল্পের ফর্ম যাতে সঠিক উপায়ে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়, তার জন্য আশা কর্মী, বিএলও এবং অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাজ করছেন কি না, তা কড়াভাবে খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। এবার অনলাইন ও অফলাইন—উভয় মাধ্যমেই ফর্ম পূরণের সুযোগ রাখা হয়েছে। ঘরে বসে সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত অফিসিয়াল পোর্টাল থেকে ১১ পাতার ফর্মটি ডাউনলোড করে আবেদন করা যাচ্ছে। তবে ভুয়ো আবেদন রুখতে এবং সঠিক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে ব্যাঙ্ক ডিটেলস ও মোবাইল নম্বরের সঙ্গে আধার লিঙ্ক থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আধার সংযোগ না থাকলে উপভোক্তারা টাকা পাবেন না বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *