নষ্ট হবে না আর জরুরি এই নথি, বাড়ি বসেই সহজে পেয়ে যান এটিএম কার্ডের মতো পিভিসি আধার!

নষ্ট হবে না আর জরুরি এই নথি, বাড়ি বসেই সহজে পেয়ে যান এটিএম কার্ডের মতো পিভিসি আধার!

বর্তমান সময়ে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য আধার কার্ড একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য নথি। ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে নতুন মোবাইল সিম নেওয়া— সবক্ষেত্রেই আধার কার্ডের প্রয়োজন অনস্বীকার্য। তবে কাগজের আধার কার্ড সবসময় সাথে রাখলে জল লেগে বা ছিঁড়ে নষ্ট হয়ে যাওয়ার একটি বড় ঝুঁকি থাকে। এই সমস্যার স্থায়ী ও আধুনিক সমাধান নিয়ে এসেছে ভারতীয় বিশিষ্ট পরিচয় কর্তৃপক্ষ (UIDAI)। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এখন নিয়ে আসা হয়েছে এটিএম কার্ডের মতো টেকসই পিভিসি বা প্লাস্টিক আধার কার্ড।

কেন জরুরি এই পিভিসি আধার কার্ড?

কাগজের সাধারণ কার্ডের তুলনায় পিভিসি আধার কার্ড অনেক বেশি স্থায়ী ও নিরাপদ। উচ্চমানের প্লাস্টিকের মোড়কে তৈরি হওয়ায় এই কার্ড সহজে নষ্ট হয় না এবং মানিব্যাগে বহন করাও অত্যন্ত সুবিধাজনক। সাধারণ কাগজের আধার কার্ড নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অনেকেই এটি সাথে নিয়ে বের হতে দ্বিধাবোধ করেন। এই নতুন উদ্যোগের ফলে নাগরিকরা যেকোনো আবহাওয়ায় বা পরিস্থিতিতে নিশ্চিন্তে এই কার্ড সাথে রাখতে পারবেন। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, এই কার্ডটি পাওয়ার জন্য এখন আর কোনো আধার সেন্টারে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয় না। এর ফলে সাধারণ মানুষের সময় ও শ্রম যেমন বাঁচবে, তেমনি প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার ওপর থেকেও চাপ কমবে।

বাড়ি বসে আবেদনের সহজ পদ্ধতি

ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে মাত্র কয়েকটি ধাপে এই পিভিসি আধার কার্ডের জন্য আবেদন করা সম্ভব। এর জন্য প্রথমে ইউআইডিএআই-এর (UIDAI) অফিশিয়াল পোর্টালে গিয়ে নিজের পছন্দমতো ভাষা বেছে নিতে হবে। এরপর ‘পিভিসি কার্ড সার্ভিস’ অপশনে ক্লিক করে আধার সংক্রান্ত তথ্য ও ক্যাপচা কোড দিয়ে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হবে। প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আধারের সাথে যুক্ত মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি (OTP) আসবে, সেটি নির্দিষ্ট স্থানে বসাতে হবে। সবশেষে অনলাইন মাধ্যমে মাত্র ৭৫ টাকা ফি প্রদান করলেই আবেদনের প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ হবে। এই নির্দিষ্ট খরচের মধ্যেই কার্ডের প্রিন্টিং, প্যাকেজিং এবং স্পিড পোস্টের মাধ্যমে ডেলিভারি চার্জ অন্তর্ভুক্ত থাকে। আবেদন করার সাধারণত ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যেই এই আধুনিক পিভিসি আধার কার্ডটি সরাসরি নাগরিকের বাড়িতে পৌঁছে যায়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *