নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে চরম বিস্ফোরক মমতা, দিল্লিতে তোপ মহুয়া এবং সাগরিকার

জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও কেন্দ্রীয় এজেন্সির ভূমিকা নিয়ে নজিরবিহীন সুর চড়াল তৃণমূল কংগ্রেস। বেঁধে দেওয়া সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও কেন বিরোধী ‘বিদ্রোহী’ শিবিরকে বাড়তি ছাড় দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের সচিবকে কড়া চিঠি পাঠিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের অভিযোগ, দু-পক্ষকেই জবাব দেওয়ার জন্য ৬ জুলাই পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হলেও অপর পক্ষ নির্দিষ্ট ডেডলাইন মানতে ব্যর্থ হয়েছে। সোমবার দিল্লির এক সাংবাদিক বৈঠক থেকে এই ইস্যুতে মোদী সরকার, ইডি ও নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ করেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র এবং সাগরিকা ঘোষ।
তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, তৃণমূলের দেওয়া নথির ওপর ভিত্তি করে যাতে বিরোধী পক্ষ জবাব সাজাতে পারে, তার জন্যই এই অতিরিক্ত সময় দেওয়া হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর চিঠিতে স্পষ্ট জানিয়েছেন, অপর পক্ষকে আর বাড়তি সময় না দিয়ে কেবল মাত্র ৬ জুলাই জমা পড়া তৃণমূলের নথির ভিত্তিতেই যেন কমিশন তদন্তের নিষ্পত্তি করে। সাংবাদিক বৈঠক থেকে ইডির ভূমিকা নিয়ে সরব হয়ে সাগরিকা ঘোষ বলেন, ২০১৪ সালের পর থেকে ইডির ৯৫ শতাংশ মামলাই করা হয়েছে বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে। বিজেপি আসলে দেশকে একদলীয় রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় বলে তোপ দাগেন তিনি।