তৃণমূল কি অচ্ছুত নাকি? পদ্মপুকুরে ধৃত কুণাল-বৈশ্বানর, পুলিশি হেনস্থা নিয়ে ক্ষোভ মমতার

তৃণমূল কি অচ্ছুত নাকি? পদ্মপুকুরে ধৃত কুণাল-বৈশ্বানর, পুলিশি হেনস্থা নিয়ে ক্ষোভ মমতার

নিট (NEET-UG) প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের প্রতিবাদ এবং ছাত্র সমাজের আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানাতে গিয়ে চরম পুলিশি হেনস্তার মুখে পড়লেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পূর্বনির্ধারিত মিছিলের অনুমতি বাতিল হওয়ার পর পদ্মপুকুরে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা জমায়েত হলে পুলিশের সঙ্গে বচসা ও হাতাহাতি বেধে যায়।

এই ঘটনায় তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশি আক্রমণ ও দলের পতাকা ছেঁড়ার অভিযোগ তুলে রাজ্য প্রশাসন ও পুলিশের ভূমিকার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন তিনি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষোভ ও অভিযোগ:

  • “তৃণমূল কি অচ্ছুত নাকি?”: কালীঘাটের বাড়িতে ফিরে মমতা প্রশ্ন তোলেন, “আমাদের ছেলেমেয়েরা শান্তিপূর্ণভাবে বিচার চেয়ে আন্দোলন করছিল। মধ্যরাতে জানাচ্ছে অনুমতি দেওয়া হবে না। কেন, তৃণমূল কি অচ্ছুত নাকি?”
  • পুলিশি বর্বরতা: পুলিশের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, “আমাকে সিগন্যালে আটকে দেওয়া হয়েছিল। আমি হেঁটে, দৌড়ে, স্কুটারে করে পৌঁছেছি। আমাকেও ধাক্কা মেরে ফেলে দিচ্ছিল, হাত টেনে ধরেছিল! দলের পতাকা ও মাইকের তার ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে।”
  • আইনি অধিকার হরণ: প্রবীণ নেতারা জামিনের জন্য লালবাজারে গেলেও গেট বন্ধ করে আইনজীবীদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

দিল্লি থেকে কলকাতা—সর্বত্র পুলিশি আচরণের নিন্দা করে মমতা বলেন, “তারা আমাদের যুবসমাজের কণ্ঠরোধ করতে পারবে না! বাংলা কখনও পিছু হটবে না, মাথা উঁচু রাখবে।” উল্লেখ্য, হাইকোর্ট থেকে মিছিলের অনুমতি না মেলায় পদ্মপুকুরে কর্মীরা অবস্থানে বসলে পুলিশ জমায়েত সরাতে যায়, যার জেরে এই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *