বিদেশে পালিয়েও নামল না রক্ষা: ২৭৪ জন পলাতক আসামিকে দেশে ফেরাল কেন্দ্র, উদ্ধার ১৮,০০০ কোটি টাকা!

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-র দুর্নীতিবিরোধী অঙ্গীকারের মূল লক্ষ্য ছিল—দেশ থেকে কালো টাকা উদ্ধার, বেনামি সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ, অর্থপাচার রদ এবং আর্থিক প্রতারণা করে বিদেশে চম্পট দেওয়া অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে গত কয়েক বছরে কেন্দ্র সরকার ও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলোর লাগাতার প্রচেষ্টা এক অভূতপূর্ব সাফল্য এনে দিয়েছে।
এক নজরে মূল অর্জনসমূহ:
- ১৮,০০০ কোটি টাকা উদ্ধার: সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ৭ বছরে বিদেশে পাচার হয়ে যাওয়া প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা সফলভাবে দেশে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে ভারত সরকার।
- ২৭৪ জন অপরাধী প্রত্যর্পণ: কেবল অর্থ উদ্ধারই নয়, দেশের আইন ফাঁকি দিয়ে বিদেশে আশ্রয় নেওয়া ২৭৪ জন দাগী অর্থনৈতিক অপরাধী ও পলাতক আসামিকে বিভিন্ন দেশ থেকে ভারতে ফেরত আনা হয়েছে।
- ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি: কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক সূত্রে জানানো হয়েছে, আর্থিক অপরাধের বিরুদ্ধে মোদী সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ফলেই এই ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুর্নীতি দমনে যে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন, সরকারি তথ্যপ্রমাণ বলছে প্রশাসন তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করছে।
একই সাথে দেশের অভ্যন্তরে আর্থিক ব্যবস্থায় পূর্ণ স্বচ্ছতা আনতে ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (DBT) এবং ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমের প্রসার ঘটানো হয়েছে, যা সরকারি ব্যবস্থার প্রশাসনিক গলদ ও দুর্নীতি প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। বিদেশে পালিয়ে যাওয়া ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ভারতের এই জোরালো কূটনৈতিক ও আইনি লড়াই আন্তর্জাতিক মহলেও ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।