বিদ্যুৎ বিল কমাতে চান? এসি ও ফ্রিজ ব্যবহারের এই ৫টি ভুল আজই শুধরে নিন!
August 6, 20268:46 pm

গরমের মরসুমে বাড়ির বিদ্যুৎ বিল হু হু করে বাড়ার প্রধান দুই কারণ—এসি এবং ফ্রিজ। অনেকেই ভাবেন ইনভার্টার বা দামী মডেল কিনলেই বুঝি বিল কমে যাবে। তবে সত্যিটা হলো, গ্যাজেট যত আধুনিকই হোক না কেন, আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারের কিছু বাজে অভ্যাসের কারণেই মাস শেষে ইলেকট্রিক বিলের বহর দেখে চোখ কপালে ওঠে।
সামান্য কিছু নিয়ম আর অভ্যাসে পরিবর্তন আনলেই কিন্তু সহজেই কারেন্ট বিল সাশ্রয় করা সম্ভব। জেনে নিন এসি ও ফ্রিজ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোন ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন—
১. এসি (AC) ব্যবহারের সময় যা করবেন না:
- খুব কম তাপমাত্রায় চালানো: ঘর দ্রুত ঠান্ডা করতে অনেকেই এসি ১৬ বা ১৮ ডিগ্রিতে চালিয়ে দেন। এতে ঘর জলদি ঠান্ডা তো হয়ই না, বরং কম্প্রেসরের উপর চাপ পড়ে বিদ্যুৎ বিল দ্বিগুণ হয়ে যায়। ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এসি চালানোই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর ও বিল সাশ্রয়ী।
- দরজা-জানালা খোলা রাখা: এসি চলার সময় বারবার ঘর খোলা-বন্ধ করলে বাইরের গরম হাওয়া ভেতরে ঢোকে। দিনের বেলা জানালায় ভারী পর্দা টেনে রাখলে রোদের তাপ ঘরে কম ঢোকে এবং এসি দ্রুত কাজ করতে পারে।
- নোংরা ফিল্টার: নোংরা ফিল্টারে এসি চালালে ঠান্ডা হাওয়া বের হতে পারে না, ফলে যন্ত্রটিকে দ্বিগুণ শক্তিতে কাজ করতে হয়। প্রতি ২ থেকে ৪ সপ্তাহ পর পর ফিল্টার ধুয়ে পরিষ্কার করুন।
২. ফ্রিজ (Fridge) ব্যবহারের সাধারণ ভুল:
- গরম খাবার সরাসরি রাখা: গরম রান্না করা খাবার সরাসরি ফ্রিজে ঢুকিয়ে দিলে ভেতরের তাপমাত্রা একধাক্কায় বেড়ে যায়। ফলে তা ঠান্ডা করতে কম্প্রেসরকে দীর্ঘক্ষণ কাজ করতে হয়। খাবার সাধারণ তাপমাত্রায় এলে তবেই ফ্রিজে রাখুন।
- দেয়ালের একদম ঘেঁষে রাখা: ফ্রিজের পেছনে জমে থাকা তাপ বের হওয়ার জন্য কিছুটা ফাঁকা জায়গার প্রয়োজন। দেয়ালের সাথে একদম সেঁটে রাখলে তাপ বের হতে পারে না, ফলে বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়।
- অতিরিক্ত বরফ জমতে দেওয়া: ম্যানুয়াল বা পুরোনো মডেলের ফ্রিজে বেশি বরফ জমে গেলে কুলিং পাওয়ার কমে যায়। তাই নিয়মিত ‘ডিফ্রস্ট’ (Defrost) করা খুব জরুরি।
- বারবার দরজা খোলা: অপ্রয়োজনে বারবার বা দীর্ঘ সময় ফ্রিজের দরজা খোলা রাখলে ভেতরের ঠান্ডা বাতাস বের হয়ে যায়, যা পূরণ করতে বেশি কারেন্ট খরচ হয়।