ভুল তথ্য দিলেই বিপদ! পাক রাজনীতিকদের সম্পত্তি কাণ্ডে নড়েচড়ে বসল নির্বাচন কমিশন

ভুল তথ্য দিলেই বিপদ! পাক রাজনীতিকদের সম্পত্তি কাণ্ডে নড়েচড়ে বসল নির্বাচন কমিশন

নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকেই নিজেদের আয়-ব্যয় ও সম্পত্তির হিসাব জানিয়ে একটি হলফনামা জমা দিতে হয়। কিন্তু বাস্তব ছবিটা একটু আলাদা—পাকিস্তান তো বটেই, বিশ্বজুড়েই বহু প্রার্থী এই হলফনামায় ভুল তথ্য দেন। পাকিস্তানে তো একে একপ্রকার ‘নিয়ম’-ই বানিয়ে ফেলা হয়েছিল বলে অভিযোগ!

তবে এবার সেই জালিয়াতি ও দুর্নীতিতে পাকাপাকিভাবে রাশ টানতে চলেছে পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন (ECP)। ২০১৭ সালের নির্বাচন বিধিমালায় একগুচ্ছ বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব এনেছে তারা।

📌 কমিশনের নতুন নিয়মে যা থাকছে:

  • সরাসরি কৈফিয়ত তলব: নতুন ১৩৭ নম্বর নিয়মের বলে, কোনো সাংসদ বা বিধায়কের দেওয়া সম্পত্তি কিংবা দেনার হিসাবে একটুও গড়মিল বা অস্পষ্টতা থাকলে নির্বাচন কমিশন সরাসরি সেই নেতার কাছে জবাবদিহি চাইবে।
  • তথ্য দিতে বাধ্য প্রতিষ্ঠানগুলি: শুধু নেতারাই নন—যেকোনো সরকারি দপ্তর, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে তথ্য চাওয়া হলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সঠিক উত্তর দিতে বাধ্য থাকবে তারা।

🗓️ ১৫ আগস্টের মধ্যে পরামর্শ আহ্বান

কমিশন এই খসড়া নিয়মটি নিজেদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে তুলে ধরেছে। সাধারণ মানুষ ও বিশেষজ্ঞরা আগামী ১৫ আগস্ট পর্যন্ত এ বিষয়ে তাঁদের মতামত বা আপত্তি জানাতে পারবেন। সব পরামর্শ খতিয়ে দেখার পরই নতুন এই আইন কার্যকর করা হবে।

উল্লেখ্য, বিরোধীদলীয় নেতা মাহমুদ খান আচাকজাইয়ের বিরুদ্ধে সম্পত্তির তথ্য গোপনের মামলার শুনানির আবহেই এই কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে কমিশন। নতুন নিয়ম চালু হয়ে গেলে পাকিস্তানের রাজনীতিতে যে এক বড় পরিবর্তনের হাওয়া আসবে, তা বলাই বাহুল্য!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *