ভোটে লড়াই নয়, সিজেপি-র নতুন ধামাকা! সেপ্টেম্বর থেকেই দেশজুড়ে শুরু ‘ক্যায়া বোলতি পাবলিক’

ভোটে লড়াই নয়, সিজেপি-র নতুন ধামাকা! সেপ্টেম্বর থেকেই দেশজুড়ে শুরু ‘ক্যায়া বোলতি পাবলিক’

NEET পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ডে দিল্লির যন্তর মন্তরে জোরালো আন্দোলনের পর এবার নতুন মেজাজে ধরা দিল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)। আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকে তারা শুরু করতে চলেছে দেশব্যাপী এক বিশেষ প্রচার অভিযান— ‘ক্যায়া বোলতি পাবলিক’। তবে নির্বাচনে লড়াইয়ের জন্য রাজনৈতিক দল গঠন নয়, বরং সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বা ‘প্রেশার গ্রুপ’ হিসেবেই কাজ করবে তারা।

ছাত্রপতি সম্ভাজিনগরে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে জানান, জওহরলাল নেহরু, ড. বি আর আম্বেদকর এবং মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ মেনে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের লক্ষ্যেই এই লড়াই।

ভারতের বর্তমান গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি ও নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করে অভিজিৎ বলেন, “দেশে প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা আজ চরম সংকটে। আগে সাধারণ মানুষ সরকার নির্বাচন করত, আর এখন সরকার ঠিক করে দিচ্ছে কারা ভোট দেবে! যতক্ষণ না নির্বাচন কমিশনকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হচ্ছে, ততক্ষণ নির্বাচনী কারচুপি বন্ধ হবে না।” ২০১৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের কথা টেনে তিনি আরও বলেন, একজন ব্যক্তি সমস্ত সমস্যার সমাধান করে দেবেন—এমনটা ভাবা ভুল।

যন্তর মন্তরের প্রতিবাদের পর সাধারণ মানুষের অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েই এই দেশব্যাপী যাত্রার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সিজেপি-র স্পষ্ট হুঁশিয়ারি—সাধারণ মানুষের কথা বলার এবং তা শোনার সময় এসেছে। সরকার না শুনলে জনগণ রাজপথেই জবাব দেবে।

অন্যদিকে, জল্পনার অবসান ঘটিয়ে দলের মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, তরুণ প্রজন্ম সিজেপি-কে রাজনৈতিক দল হিসেবে দেখতে চাইলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন দল গঠন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। তাই কোনো নির্বাচনে অংশ না নিয়ে তারা সাধারণ মানুষের হয়ে ‘প্রেশার গ্রুপ’ হিসেবেই কাজ চালিয়ে যাবেন।

সংগঠনকে জোরদার করতে নেতৃত্বের তালিকাও প্রকাশ করেছে সিজেপি। আহ্বায়ক (Convener) করা হয়েছে অভিজিৎ দীপকে। যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব সামলাবেন সৌরভ ও আশুতোষ এবং যুগ্ম ইনচার্জের দায়িত্বে থাকছেন দীপক বালিয়ান।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *