যাদবপুরের জমায়েতে ‘দিমাগি নকশাল’, মার খাব না হুঙ্কার দিয়ে চরম উত্তাল ক্যাম্পাস

বুধবার রাত থেকে ছাত্র ইউনিয়ন সংক্রান্ত বৈঠককে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। এবিভিপি ও বাম ছাত্র সংগঠনগুলির সংঘাত এবং সংঘর্ষে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ক্যাম্পাস চত্বরে। এবিভিপির অভিযোগ, ছাত্র ইউনিয়ন না থাকা সত্ত্বেও বৈঠক ডাকার প্রতিবাদ করায় ৭০ থেকে ৮০ জন তাদের ওপর চড়াও হয়। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে গেলে ভিসি অনুপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ তোলে এবিভিপি। সংগঠনের রাজ্য সভাপতি নিখিল দাস দাবি করেন, জমায়েতে ১০ শতাংশের বেশি ছিল ‘দিমাগি নকশাল’ এবং এটি ছিল সম্পূর্ণ পূর্বপরিকল্পিত আক্রমণ। তিনি ক্যাম্পাসে জাতীয়তাবাদীদের কোণঠাসা করার চেষ্টার অভিযোগ তোলেন এবং শিক্ষক সংগঠন জুটার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের প্ররোচিত করার দাবি করে উচ্চশিক্ষা দপ্তর ও পুলিশের হস্তক্ষেপ দাবি করেন।
অন্যদিকে, বুধবার রাতের এই হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি বা জুটা। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অবিলম্বে অপরাধীদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের ও কড়া আইনি পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে তারা। একইসঙ্গে ২১ আগস্ট অর্ধদিবস কর্মবিরতি ও প্রতিবাদ কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দিয়েছে এই শিক্ষক সংগঠন। এই সার্বিক বিশৃঙ্খলা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, বাইরে থেকে লোক এসে ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গুন্ডামি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।