১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড! শীর্ষ আদালতের নির্দেশে নতি স্বীকার তেজপালের

গোয়া: সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশের পর সমস্ত আইনি পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অবশেষে আত্মসমর্পণ করলেন ‘তেহেলকা’র প্রাক্তন সম্পাদক তরুণ তেজপাল। ২০১৩ সালের আলোচিত যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণ মামলায় বম্বে হাইকোর্টের দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ড এড়াতে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শীর্ষ আদালত তাঁর আর্জি খারিজ করে অবিলম্বে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিলে, সোমবার গোয়ার মাপুসা আদালতে সশরীরে হাজির হন বিতর্কিত এই প্রাক্তন সাংবাদিক।
২০১৩ সালের নভেম্বর মাসে গোয়ার একটি নামী হোটেলের লিফটের ভেতরে নিজেরই এক জুনিয়র সহকর্মীকে যৌন হেনস্থা করার অভিযোগে তরুণ তেজপালের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়।
ঘটনার দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে, ২০২১ সালের মে মাসে গোয়ার নিম্ন আদালত তেজপালকে সমস্ত অভিযোগ থেকে খালাস দিয়ে জানায় যে প্রসিকিউশন পক্ষ অপরাধ প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে। তবে সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় গোয়া সরকার। হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের খালাসের রায় পুরোপুরি বাতিল করে তেজপালকে অপরাধী সাব্যস্ত করে এবং ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের সাজা শোনায়।
হাইকোর্টের সাজার বিরুদ্ধে তেজপাল সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করলেও সেখানেও কোনো স্বস্তি পাননি তিনি। সুপ্রিম কোর্ট তাঁর আর্জি খারিজ করে কড়া ভাষায় অবিলম্বে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিলে অবশেষে গোয়ার মাপুসা আদালতে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হন তিনি।