বাংলায় শুভ সূচনা ‘পিএম বিশ্বকর্মা’র, ধনধান্যে উপভোক্তাদের হাতে উঠল ঋণ ও টুলকিট
.jpeg.webp?w=800&fit=800,594&ssl=1)
ধনধান্য অডিটোরিয়ামে সাড়ম্বরে পালিত হলো ‘পিএম বিশ্বকর্মা’ প্রকল্পের তৃতীয় বর্ষপূর্তি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই পশ্চিমবঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হলো পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পের। এদিন রাজ্যে প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে বিশ্বকর্মা দিবস পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সৃষ্টির সঙ্গে যুক্ত কারিগররাই প্রকৃত ‘বিশ্বকর্মা’। তাঁদের শিল্প ও দক্ষতাকে সম্মান জানাতেই এই বিশেষ দিনের আয়োজন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পমন্ত্রী জিতন রাম মাঝি। রাজ্য জুড়ে এই প্রকল্প কার্যকর হওয়ায় বিশ্বকর্মা দিবসের দিনেই উপভোক্তাদের হাতে পিএম বিশ্বকর্মা শংসাপত্র, ঋণের নথি এবং আধুনিক টুলকিট তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি কারিগরদের তৈরি সামগ্রী বৃহত্তর বাজারে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণে এক বিশেষ প্রদর্শনী ও বিক্রয়কেন্দ্রের আয়োজন করা হয়।
প্রকল্পের দ্রুত বাস্তবায়নে পঞ্চায়েত স্তরের প্রশাসনিক কাঠামোয় বদল আনা হয়েছে। আগে এই দায়িত্ব গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানদের ওপর থাকলেও, কাজের গতি বাড়াতে তা পঞ্চায়েত সচিবদের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। তিন দফার যাচাই প্রক্রিয়া শেষে ইতিমধ্যেই রাজ্যের ৩ হাজারের বেশি আবেদনকারী অনুমোদন পেয়েছেন। রাজ্যে পূর্বে নথিভুক্ত ৭.৭ লক্ষ মানুষের মধ্যে ২ লক্ষেরও বেশি কারিগর আবেদন জানিয়েছেন। আগামী দিনে বাংলায় ৫ লক্ষেরও বেশি কারিগর ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এই প্রকল্পের সরাসরি সুবিধা পাবেন।
উল্লেখ্য, দেশে পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্প চালুর পর থেকে গত তিন বছরে প্রায় ৩০ লক্ষ উপভোক্তার নথিভুক্তকরণ সম্পন্ন হয়েছে, যার মধ্যে ২৪.৫০ লক্ষ কারিগর প্রাথমিক দক্ষতা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। বাংলায় এই প্রকল্প পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হওয়ায় রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্পী ও কারিগরদের আর্থিক সচ্ছলতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার পথ সুগম হলো।