২০২৭-এ লাখো ‘বিশ্বকর্মা’ মাঠে নামানোর ঘোষণা, বাংলার কুটির শিল্পে মেগা মাস্টারপ্ল্যান

বিশ্বকর্মা পুজোয় রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী ও ক্ষয়িষ্ণু ক্ষুদ্র-কুটির শিল্পকে নতুন করে ঘুরে দাঁড় করানোর বড় রোডম্যাপ পেশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার কলকাতার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে ‘প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনা’র ৩ বছর পূর্তি উপলক্ষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতন রাম মাঝির উপস্থিতিতে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাজ্যের শিল্প পরিকাঠামো শক্তিশালী করার এই বার্তা দেন তিনি।
প্রশিক্ষণ ও বিপণনে জোর
স্বর্ণকার, মৃৎশিল্পী, পটচিত্রশিল্পী, তাঁতি, দর্জি ও কাঠমিস্ত্রিদের মতো প্রথাগত শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের বাঁচাতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, কেবল আর্থিক সহায়তায় শিল্প বাঁচে না, তার জন্য প্রয়োজন দক্ষতাবৃদ্ধি এবং সঠিক বাজার সংযোগ। সেই লক্ষ্যে এমএসএমই (MSME) দফতরের মাধ্যমে কারিগরদের আধুনিক প্রশিক্ষণ প্রদান এবং তাঁদের উৎপাদিত সামগ্রী বাজারজাত করার সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২০২৭-এ মহাজোটের লক্ষ্যমাত্রা
বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে যাঁরা টিকিয়ে রেখেছেন, তাঁদের যথাযথ কাজের স্বীকৃতি দিতে বদ্ধপরিকর রাজ্য সরকার। আগামী দিনে ধনধান্যের চার দেয়াল পেরিয়ে খোলা মাঠে লক্ষ লক্ষ ‘বিশ্বকর্মা’ তথা কারিগরদের একত্রিত করে ২০২৭ সালের বিশ্বকর্মা দিবস পালনের ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে আগামী দিনে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পই প্রধান কাণ্ডারী হতে চলেছে বলে আশাপ্রকাশ করেন তিনি।