ভোটের মুখে পুলিশি অ্যাকশন! ৫ বছরের পুরনো মামলায় জালে রেজিনগরের নির্দল প্রার্থী

ভোটের মুখে পুলিশি অ্যাকশন! ৫ বছরের পুরনো মামলায় জালে রেজিনগরের নির্দল প্রার্থী

রাজ্যে বিধানসভা উপনির্বাচন ঘিরে রাজনীতির পারদ চড়ছে। নন্দীগ্রামের পর এবার পুলিশের জালে রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী। শনিবার বহরমপুর থানার আধিকারিকরা পাকড়াও করেন রেজিনগরের নির্দল প্রার্থী সইফুল ইসলামকে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। সেই সংক্রান্ত প্রায় পাঁচ বছরের পুরনো একটি মামলাতেই সইফুল ইসলামের নাম ছিল এবং সেই জেরেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

হুমায়ুন-ঘনিষ্ঠ সইফুল, নোটিস আম জনতা উন্নয়ন পার্টিকেও

কাগজে-কলমে নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও সইফুল ইসলাম আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (AJUP) প্রধান হুমায়ুন কবীরের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ নেতা হিসেবে পরিচিত। ফলে সইফুলের গ্রেফতারির পরই সরব হয়েছেন হুমায়ুন।

এরই মধ্যে শনিবার বহরমপুর পুলিশ AJUP প্রধানকেও একটি আইনি নোটিস পাঠিয়েছে। দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা ও উসকানি ছড়ানোর অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি মামলায় আগামী সোমবার তদন্তকারী আধিকারিকদের সামনে তাঁকে হাজির হতে বলা হয়েছে।

উপনির্বাচনের আগে একের পর এক প্রার্থী গ্রেফতার

আগামী ৬ অক্টোবর রাজ্যে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর— এই দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। কিন্তু ভোটের আগেই একের পর এক ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে।

নন্দীগ্রামে তৃণমূল প্রার্থী নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তার পরপরই পুরনো মামলায় গ্রেফতার হতে হয় মিলনকে। রেজিনগরেও ঠিক একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল, যেখানে নির্বাচনের ঠিক মুখেই পুলিশি জালে জড়ালেন রেজিনগরের প্রার্থী সইফুল।

বিজেপির পাল্টা যুক্তি

এই গ্রেফতারি প্রসঙ্গে বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার জানান, “পুরনো যদি মামলা থাকে আর জামিন নেওয়া না থাকে, তাহলে পুলিশ তো গ্রেফতার করবেই। এতে রাজনীতি দেখার কিছু নেই, আইন তার নিজস্ব পথেই চলবে।”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *