জয়শঙ্কর থেকে প্রাক্তন সেনাপ্রধান: দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের নোটিস পেলেন একাধিক VVIP!

জয়শঙ্কর থেকে প্রাক্তন সেনাপ্রধান: দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের নোটিস পেলেন একাধিক VVIP!

ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় একাধিক হাইপ্রোফাইল নাম! দিল্লির ভোটার তালিকায় তথ্য যাচাইয়ের অংশ হিসেবে খোদ বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী এবং সিপিআই(এম) সাংসদ জন ব্রিটাসের পরিবারকে নোটিস পাঠাল নির্বাচন কমিশন।

নয়াদিল্লি বিধানসভা কেন্দ্রের (AC-40) ভোটার তালিকা পরিমার্জন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই ‘SIR’ (বিশেষ সামারি রিভিশন) নোটিস পাঠানো হয়েছে। তবে কমিশন স্পষ্ট করেছে, এটি একটি স্বাভাবিক তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া; কারও নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়নি।

কেন নোটিস পেলেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর?

নয়াদিল্লির সুন্দরবাগ এলাকার ভোটার বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং তাঁর স্ত্রী কিয়োকো এস জয়শঙ্কর। তাঁদের নোটিসে ‘Unmapped with last SIR’ শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে। এর অর্থ হল—বর্তমান ভোটার তালিকার নথির সঙ্গে কমিশনের আগের রেকর্ড সরাসরি মেলানো সম্ভব হয়নি। সেই তথ্য যাচাই করতেই তাঁদের প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে বলা হয়েছে।

তালিকায় প্রাক্তন সেনাপ্রধানও

একই কারণে নির্বাচন কমিশনের নোটিস পেয়েছেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী এবং তাঁর স্ত্রী সুনীতা দ্বিবেদী। তাঁদের নামও নয়াদিল্লি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় রয়েছে। জয়শঙ্কর দম্পতির মতো তাঁদের ক্ষেত্রেও একই প্রযুক্তিগত অসামঞ্জস্য ধরা পড়েছে।

সাংসদ জন ব্রিটাসের পরিবারও আতশকাচে

সিপিআই(এম) সাংসদ জন ব্রিটাসের স্ত্রী শেবা ব্রিটাস এবং ছেলে আনন্দ ব্রিটাসকেও নোটিস দেওয়া হয়েছে।

  • শেবা ব্রিটাস: নথিতে তাঁর নিজের নামের বানানে অমিল চিহ্নিত হয়েছে।
  • আনন্দ ব্রিটাস: ভোটার তালিকায় বাবা-মায়ের নামের তথ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

কমিশনের বক্তব্য ও পরবর্তী পদক্ষেপ

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার তালিকাকে শতভাগ নির্ভুল করাই এই প্রক্রিয়ার মূল লক্ষ্য। নোটিস পাওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে তথ্যগুলি আবার মিলিয়ে দেখা হবে। সেই যাচাইকরণ শেষ হওয়ার পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *