ভুয়ো পুলিশ পরিচয়ে পার্কের ভিতর নাবালিকাকে গণধর্ষণ! দিল্লিতে ভোরে এনকাউন্টারের পর গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত

ভুয়ো পুলিশ পরিচয়ে পার্কের ভিতর নাবালিকাকে গণধর্ষণ! দিল্লিতে ভোরে এনকাউন্টারের পর গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত

নয়াদিল্লি: রাজধানীতে ফের এক ১৭ বছরের নাবালিকাকে গণধর্ষণের ভয়ঙ্কর অভিযোগ উঠল। সাউথ দিল্লির কালকাজি ও ইসকন মন্দির সংলগ্ন আস্থাকুঞ্জ পার্কে নিজেদের ‘পুলিশ’ পরিচয় দিয়ে ওই নাবালিকাকে তিন যুবক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মঙ্গলবার ভোরে নাটকীয় এনকাউন্টারের পর মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ।

কী ঘটেছিল সোমবার রাতে? পুলিশ ও নির্যাতিতার বয়ান অনুযায়ী, সোমবার সন্ধে সাতটা নাগাদ নিজের এক ১৭ বছর বয়সি পুরুষ বন্ধুর সঙ্গে কালকাজি মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিল ওই নাবালিকা। পুজো সেরে সাড়ে সাতটা নাগাদ তারা পাশের আস্থাকুঞ্জ পার্কে যায়। সেখানে ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সি তিন যুবক তাদের কাছে এসে নিজেদের পুলিশ পরিচয় দেয়।

অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা দু’জনকে প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং নাবালিকার বন্ধুকে আটকে রেখে তিন জন মিলে নাবালিকাকে পার্কের ভেতরেই গণধর্ষণ করে। রাত ৯টা নাগাদ দিল্লি পুলিশের কন্ট্রোল রুমে খবর পৌঁছালে টহলদারি পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। নাবালিকাকে দ্রুত শারীরিক পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এনকাউন্টার ও মূল অভিযুক্ত গ্রেপ্তার: ঘটনার পর রাত থেকেই অপরাধীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। মঙ্গলবার ভোরে গোপন সূত্রে খবর মেলে, অমর কলোনির কাছে মূল অভিযুক্ত লুকিয়ে রয়েছে। পুলিশ দল সেখানে পৌঁছাতেই অভিযুক্ত পুলিশকে লক্ষ্য করে তিন রাউন্ড গুলি চালায়। একটি গুলি এক হেড কনস্টেবলের গায়ে লাগলেও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট থাকায় তিনি বেঁচে যান।

পুলিশ অভিযুক্তকে আত্মসমর্পণের সুযোগ দিলেও সে ফের বন্দুক তাক করে পালানোর চেষ্টা করে। বাধ্য হয়ে আত্মরক্ষার্থে পুলিশ দুই রাউন্ড গুলি চালালে একটি গুলি অভিযুক্তের ডান পায়ে লাগে। মাটিতে লুটিয়ে পড়তেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বাকি দুই অভিযুক্তের সন্ধান: পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সময় কালকাজি মন্দির, ইসকন মন্দির ও আস্থাকুঞ্জ পার্কের আশপাশে উপস্থিত থাকা সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি, এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে বাকি দুই পলাতক অভিযুক্তকে দ্রুত চিহ্নিত করে পাকড়াও করার চেষ্টা চলছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *