প্রাথমিকে বড় পদক্ষেপ! শুধু বই শেষ নয়, ১-২ শ্রেণির শেখার মান বাড়াতে নয়া নির্দেশিকা রাজ্যের

কলকাতা: প্রাক-প্রাথমিক থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির পড়ুয়াদের শিক্ষার মান বাড়াতে একগুচ্ছ নতুন পদক্ষেপ নিল পশ্চিমবঙ্গ সমগ্র শিক্ষা মিশন। এবার থেকে শুধু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পাঠ্যক্রম বা সিলেবাস শেষ করাই শেষ কথা নয়, বাচ্চারা বাস্তবে কতটা পড়তে, লিখতে ও অঙ্ক কষতে শিখছে—তার ওপর সরাসরি নজর দিতে হবে শিক্ষকদের।
ক্লাসরুমে রঙিন পোস্টার ও অভিভাবকদের ডিজিটাল আপডেট রাজ্যের সমস্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক, প্রথম এবং দ্বিতীয় শ্রেণির প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে টাঙাতে হবে শিক্ষাগত লক্ষ্যমাত্রা সংক্রান্ত রঙিন পোস্টার। পড়ুয়ারা প্রতিদিন কতটা শিখছে, তা নিয়মিত মূল্যায়ন করবেন শিক্ষকরা।
অভিভাবকদের সচেতন করতে স্কুলের প্রবেশপথ বা নোটিস বোর্ডেও এই পোস্টার সাঁটাতে হবে। পাশাপাশি, অভিভাবকদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপেও এই পোস্টারের প্রতিলিপি পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই পোস্টার ছাপানোর খরচ বিদ্যালয়গুলি তাদের ‘কম্পোজিট গ্রান্ট’ থেকেই বহন করতে পারবে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে জেলা শিক্ষা আধিকারিকদের এই পদক্ষেপের অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ছাত্রশূন্য ৯৩৩টি স্কুল নিয়ে বড় পরিকল্পনা প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের পাশাপাশি রাজ্য স্কুলশিক্ষা ব্যবস্থায় বড়সড় পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা দফতর। জানা গেছে, রাজ্যের প্রায় ৯৩৩টি প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলে গত ৫ থেকে ২০ বছর ধরে একজনও নতুন ছাত্র ভর্তি হয়নি।
সম্পূর্ণ ছাত্রশূন্য হয়ে পড়া এই স্কুলগুলির মূল্যবান জমি, ভবন এবং খেলার মাঠের ভবিষ্যৎ কী হবে বা এগুলিকে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, তা খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ।